পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা হলেন বি বোয়া বসুন্ধরা (৩৪), একটি বেসরকারি হাসপাতালের নার্স কঙ্গে জ্যোথি (৪০) এবং তাঁর দুই সন্তানকে গ্রেফতার করা হয়৷ তাদের বয়সও কুড়ির কোঠায়৷
পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে একটি মিথ্যে দুর্ঘটনার নাটক করে ওই মহিলা চিকিৎসকের শরীরে ইঞ্জেকশন দিয়ে এইচআইভির সংক্রমণ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷ ওই মহিলা চিকিৎসকের স্বামী অভিযুক্ত ওই নার্সের প্রাক্তন প্রেমিক৷
advertisement
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এইআইভি সংক্রমিত রোগীদের রক্তের নমুনা জোগাড় করেছিল অভিযুক্তরা৷ গবেষণার কাজে ওই রক্তের নমুনা প্রয়োজন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানায় তারা৷ পুলিশ জানিয়েছে, সেই রক্তের নমুনাই রেফ্রিজেটরে রেখে দিয়ে পরে ওই মহিলা চিকিৎসকের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাক্তন প্রেমিক অন্য কোনও মহিলাকে বিয়ে করেছেন, তা মেনে নিতে না পেরেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে অভিযুক্ত নার্স৷ ইচ্ছাকৃত ভাবে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ওই মহিলা চিকিৎসককে আহত করে তার পর তাঁর শরীরে ওই সংক্রমিত রক্ত ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷
জানা গিয়েছে, গত ৯ জানুয়ারি কুরনুলের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ওই মহিলা চিকিৎসক মধ্যাহ্নভোজের জন্য স্কুটিতে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন৷ তখনই দুই ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে মোটরসাইকেল নিয়ে ওই মহিলা চিকিৎসকের স্কুটিতে ধাক্কা মারে৷ যার ফলে ওই মহিলা চিকিৎসক রাস্তায় পড়ে যান৷ তখন সাহায্যের অছিলায় বাকি অভিযুক্তরা ওই মহিলা চিকিৎসকের কাছে এগিয়ে আসেন৷
এর পরই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার নাম করে একটি অটোতে তোলার সময় ওই মহিলা চিকিৎসকের শরীরে ইঞ্জেকশন দিয়ে এইচআইভি সংক্রমিত রক্ত ঢুকিয়ে দেয় অভিযুক্ত নার্স৷ আহত মহিলা চিকিৎসকের সন্দেহ হওয়ায় তিনি চিৎকার করায় অভিযুক্ত নার্স সেখান থেকে পালিয়ে যায়৷
এই ঘটনার পরের দিন ১০ জানুয়ারি মহিলা চিকিৎসকের স্বামী কুরনুল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন৷ তদন্তে নেমে গত ২৪ জানুয়ারি অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ৷
