এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল রেজিস্টার এবং ন্যাশনাল মেডিক্যাল রেজিস্টার দুই সংস্থার পক্ষ থেকেই চার ডাক্তার যেমন- মুজফফর আহমেদ, আবদেল আহমেদ রাথের, মুজামিল শাকিল এবং শাহিন সাইদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে।
এই বাতিল প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, “উল্লেখিত ডাক্তাররা আর কোনও ভাবেই কোনও রোগী দেখতে পারবেন না। এছাড়াও, ভারতবর্ষের কোথাও মেডিক্যাল কোনও অ্যাপয়ন্টমেন্ট নিতে পারবেন না।”
advertisement
এনএমসি-এর এই নির্দেশের ফলে দেশের কোথাও এই সন্ত্রাসবাদী ডাক্তাররা কোনওভাবেই ভারতের কোথাও প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের পরে ৫ দিন কেটে গিয়েছে৷ জোরকদমে এগোচ্ছে তদন্ত৷ আটক করা হচ্ছে ফরিদাবাদ ‘ডক্টরস মডিউলে’র সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তিদের৷ এবার দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত বিস্ফোরক নিয়ে সামনে এল ভয়ঙ্কর তথ্য৷ জানা গেল, গত ১০ নভেম্বর যে গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়েছিল তাতে একটি বিপজ্জনক রাসায়নিকের নমুনা পাওয়ার গিয়েছে৷ নাম ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড৷ সহজ ভাষায় TATP৷ এটি একটি ভয়ঙ্কর রকমের উদ্বায়ী রাসায়নিক, যা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সঙ্গে বিক্রিয়ায় প্রবল বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে৷
TATP অর্থাৎ, ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড, একটি শক্তিশালী প্রাথমিক বিস্ফোরক৷ ইম্প্রোভাইজড বিস্ফোরক ব্যবহার করতে যা প্রায়ই ব্যবহার করতে দেখা যায় সন্ত্রাসবাদীদের৷ সামান্য তাপের পরিবর্তন, ঘষা লাগা এমনকী, দুলুনিতেও ফেটে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে৷
অন্যান্য, বাণিজ্যিক বিস্ফোরকের মধ্যে যেমন নাইট্রোজেন পাওয়ার যায়, এই ধরনের আইডি-তে তা থাকে না৷ ফলে ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতিতে তল্লাশি চালালো এই বিস্ফোরক খুঁজে পাওয়াও মুশকিল৷
কেন্দ্রীয় এজেন্সি জানাচ্ছে, হতে পারে সিগন্যালে অনিচ্ছাকৃত ভাবেই বিস্ফোরণ ঘটেছিল৷ আবার, এই ধরনের বোমা মাত্র ৫-১০ মিনিটের মধ্যে প্রস্তুত করতে পারায়, বিস্ফোরণের আগে উমর নবি তা তৈরি করে থাকত বলেও মনে করা হচ্ছে৷
