মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে গাজিয়াবাদের মাজরার ঝুন্ডপুরা গ্রামে৷ মৃত ওই বালকের নাম আহিল৷ শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার দিন বাড়ি থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে রাস্তার উপরে বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিল ওই বালক৷ যেখানে ওই শিশুরা খেলছিল, তার কাছেই রাস্তার পাশে অন্তত তিন ফুট গভীর একটি খোলা নর্দমা রয়েছে৷ ঘটনার সময় সেই নর্দমাটি নোংরা জল এবং পাঁকে টইটুম্বুর ছিল৷ খেলতে খেলতেই পিছন দিক ফিরে ওই নর্দমার কাছে চলে গিয়েছিল আহিল৷ এর পর টাল সামলাতে না পেরে নর্দমার মধ্যে পড়ে যায় সে৷ গোটা ঘটনা ধরা পড়ে সিসিটিভি-তে৷
advertisement
আহিল নর্দমায় পড়ে গিয়েছে শুনেই তার পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীরা মিনিট দুয়েকের মধ্যে গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় নর্দমার ভিতর থেকে উদ্ধার করে৷ এর পর বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে হাপুর জেলার পিলখুয়া শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় শিশুটিকে৷ কিন্তু সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা৷ ময়নাতদন্তের পর পুলিশ শিশুটির দেহ তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়৷
মৃত ওই বালকের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেকটা গভীর হলেও ওই নর্দমা ঢাকা দেওয়ার অথবা সেটিকে ঘিরে রাখার কোনও ব্যবস্থা কোনওদিনই করেনি কেউ৷ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারাও ভোটের সময় ছাড়া এলাকায় আসেন না৷ প্রশাসনিক কর্তাদেরও এলাকায় দেখা মেলে না৷
স্থানীয়দের দাবি, গত একমাসে গাজিয়াবাদের ওই অঞ্চলে একই ধরনের দ্বিতীয় ঘটনা ঘটল৷ গত ৮ জানুয়ারি মোমিন কলোনিতে খোলা নর্দমার ভিতরে পড়ে গিয়ে ৫ মাস বয়সি একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ৷
