যুদ্ধের কেন্দ্র থেকে ফিরে এসে তিনি জানান, "ইভানুর ফ্রেঙ্কনুর ন্যাশনাল মেডিক্যালের ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্র আমি। ইভানুর ফ্রেঙ্কনুর সিটিতে থাকতাম। গত সপ্তাহে যুদ্ধের আগে এমার্জেন্সী সাইরেন বাজানো হয়। আমাদের সিটিতে মিশাইল লঞ্চ করা হয়। আগে এয়ারপোর্ট এবং পরে বিল্ডিংএ পড়ে মিসাইল। বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও হয়। ঘটনার পর আমরা ভারতীয় দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করি। তবে আমাদেরকে যোগাযোগ করা হলেও বলা হয় নিজের এলাকায় সুরক্ষিত থাকতে । বর্ডারে পৌঁছানোর কথা বলা হয় আমাদের। বাস বুকিং করে আমরা বর্ডারে পৌঁছে যাই। তবে বর্ডারে অন্যান্য বহু দেশের মানুষ উপস্থিত ছিলেন বর্ডার পার হওয়ার জন্য। ভারতীয় মুদ্রা ৪৫০০ টাকা খরচ করে সাড়ে চার ঘন্টা সময়ে আমরা এসে উপস্থিত হয়েছিলাম সেখানে। বর্ডারে কোন সাহায্য মেলেনি। ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমরা পেরিয়ে এসেছি। মাইনাস ৪ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যে ছিলাম এবং রোমানিয়া বর্ডার ক্রস করে আসি এই অবস্থায়। কিভ ও খারখিভে অনেকেই আটকে আছে এখনো। কিভ ও খারকিভ এর থেকে ছাত্র ও ছাত্রীদের বের করা না হলে চরম পরিণতি হতে পারে তাদের, তাই অবিলম্বে বের করা উচিৎ তাদের। প্রতি ঘন্টায় মিসাইল ফেলা হচ্ছে সেখানে। কোন ভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না আমাদের বন্ধুদের সাথে", এমনটাই জানান দেশে ফিরে তিনি।
advertisement