জানা যায়, প্রায় ৫০০বছরের প্রাচীন এই দুর্গাপুজো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিকল সিংহ। বর্তমানে রাজা নেই, রাজপ্রাসাদের সেই জৌলুসও নেই। তবে আগে ভগ্নদশা চললেও বর্তমানে সংস্কার করা হয়েছে বাঘডাঙা জমিদারবাড়ির। পরিবারের বর্তমান সদস্যরা নিয়ম ও নিষ্ঠার সঙ্গে আজও চালিয়ে আসছেন এই পুজো। তবে বুড়িমা ছাড়াও সিংহ বাড়িতে নিত্য পুজো হয়। এছাড়াও জনার্দন প্রভু, তুলসি প্রভু, মা মনসা ও জটাধারী দেব ও জীমূতবাহনের পুজো হয়।
advertisement
পরিবারের অন্যতম সদস্যরা জানিয়েছেন, বাঘডাঙা ভাঙা বাড়ি নামেই খ্যাত এই পুজো, বর্তমানে এই পুজোর নাম বুড়িমার দুর্গাপুজো। আগে ভাঙা বাড়ি থাকলেও বর্তমানে মন্দির সংস্কার করা হয়েছে। জিতা অষ্টমীর দিনে এক বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। প্রাচীন কালের এই পুজো দেখতে বহু দূরদুরান্ত থেকে মানুষ আসেন পুজো দেখতে। তবে এখানে সিংহের বদলে নরসিংহ দেখা যায়। রাজ আমলে বোধনের দিন থেকে ঘট এনে পুজো পাঠ করা হলেও বর্তমানে ষষ্ঠীর দিন থেকে ঘট এনে পুজো পাঠ শুরু করা হয় বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে বাঘডাঙা জমিদারবাড়ি ভগ্নদশা কাটিয়ে নিয়ম নিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে এই প্রাচীন পুজো আজও চালিয়ে আসছেন। পুজো কেন্দ্র করে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত হন এই চার দিন।





