ফলে, বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসার বিরুদ্ধে বাধা দিচ্ছেন গ্রামেরই এক অংশের মানুষ। অন্যদিকে, ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধি ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বদের দাবি, অতীতেও ওই এলাকায় বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসা করা হয়েছিল। এছাড়াও বর্তমান সময়ে করোনা পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষজন অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার ভরা কোটালের জলোচ্ছ্বাসেও এই এলাকার মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় শুকানো মাছের ব্যবসা হলে, স্থানীয় বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এছাড়াও যে এলাকায় শুকানো মাছের ব্যবসার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেই এলাকাটি একেবারেই নদীর তীরে। তাছাড়া, এই মাছ শুকানো বিষয়ে অধিকাংশ গ্রামবাসী সম্মতি জানিয়েছেন । ওই এলাকায় গরু ও ছাগল যায় না। কারণ ওই স্থানটি বালির চর। ওই এলাকায় শুকানো মাছের ব্যবসা হলে এলাকাবাসীর কোন সমস্যা হবে না বলে, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় নেতৃত্বদের দাবি।
advertisement
তাঁরা আরও জানান, পরিবেশগত যাতে কোন সমস্যা না হয়, সেই বিষয়ে নজর রেখে মৎস্য ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে ওই এলাকার একটা অংশের বাসিন্দারা বর্ষা কালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসার বিরোধিতা করে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এখন কি পদক্ষেপ নেন সেদিকেই তাকিয়ে পশ্চিম অমরাবতী এলাকার বালিয়াড়ির সাধারণমানুষ।
