TRENDING:

শুকনো মাছের ব্যবসায়কে কেন্দ্র করে ঝামেলা

Last Updated:

শুকনো মাছের ব্যবসায়কে কেন্দ্র করে ঝামেলা

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
রুদ্র নারায়ন রায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শুকনো মাছের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তৈরি হল বিতর্ক। বর্ষাকালে মাছ শুকানোর জন্য রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে ক্ষতির আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি ঘটেছে  দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানার ফ্রেজারগঞ্জের পশ্চিম অমরাবতী গ্রামের বালিয়াড়া এলাকায় । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অমরাবতীর নদীর চরে বর্ষা কালীন সময়ে মাছ শুকনো করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ওই এলাকায় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে মাছ শুকনো করার জন্য কয়েকজন মৎস্য ব্যবসায়ীকে অনুমতি দেওয়া হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। গ্রামের একটা অংশের বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই এলাকায় শীতকালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসা করা হয়। কিন্তু বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসা হলে, পরিবেশগত দিক থেকে সমস্যা হয়। বিশেষত মাছ শুকনো করার জন্য যে ঔষধ ব্যবহার করা হয়, সেই ঔষধ খুবই ক্ষতিকারক বলে দাবি গ্রামবাসীদের। অতীতে ওই এলাকায় বর্ষা কালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসা করার জন্য বহু মানুষের ক্ষতি হয়েছে। এমনকি, ক্ষতিকারক কীটনাশকের সংস্পর্শে এসে মৃত্যু হয়েছে গবাদি পশুরও। এমনই গুরুতর অভিযোগ আনছেন গ্রামবাসীরা।
advertisement

ফলে, বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসার বিরুদ্ধে বাধা দিচ্ছেন গ্রামেরই এক অংশের মানুষ। অন্যদিকে, ফ্রেজারগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধি ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বদের দাবি, অতীতেও ওই এলাকায় বর্ষার সময় শুকনো মাছের ব্যবসা করা হয়েছিল। এছাড়াও বর্তমান সময়ে করোনা পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষজন অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার ভরা কোটালের জলোচ্ছ্বাসেও এই এলাকার মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় শুকানো মাছের ব্যবসা হলে, স্থানীয় বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এছাড়াও যে এলাকায় শুকানো মাছের ব্যবসার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেই এলাকাটি একেবারেই নদীর তীরে। তাছাড়া, এই মাছ শুকানো বিষয়ে অধিকাংশ গ্রামবাসী সম্মতি জানিয়েছেন । ওই এলাকায় গরু ও ছাগল যায় না। কারণ ওই স্থানটি বালির চর। ওই এলাকায় শুকানো মাছের ব্যবসা হলে এলাকাবাসীর কোন সমস্যা হবে না বলে, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় নেতৃত্বদের দাবি।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
মরণোত্তর দানে অমরত্বের বার্তা, মৃত্যুকে জয় করার মানবিক অঙ্গীকার
আরও দেখুন

তাঁরা আরও জানান, পরিবেশগত যাতে কোন সমস্যা না হয়, সেই বিষয়ে নজর রেখে মৎস্য ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে ওই এলাকার একটা অংশের বাসিন্দারা বর্ষা কালীন সময়ে শুকনো মাছের ব্যবসার বিরোধিতা করে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এখন কি পদক্ষেপ নেন সেদিকেই তাকিয়ে পশ্চিম অমরাবতী এলাকার বালিয়াড়ির সাধারণমানুষ।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/Local News/
শুকনো মাছের ব্যবসায়কে কেন্দ্র করে ঝামেলা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল