অনেক কাটখড় পুড়িয়ে কয়েকদিন আগে বারুইপুরের বাড়িতে ফেরেন জয় গোমস। যদিও, সেপ্টেম্বরে তার আবার যাওয়ার কথা ছিল কাবুলে। কিন্তু এই অবস্থায় আর ওখানে না যাওয়ার সিদ্ধান্তই নিয়েছেন তিনি। এখনো তার চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। তিনি বলেন,'ওখানকার অবস্থা এখন খুবই খারাপ হয়ে গিয়েছে। ফোনে সেই খবরই পাচ্ছি। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। তাই এখন ওখানে যাবো না।'
advertisement
অন্যদিকে, রঞ্জিত গোমস জানান, 'পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার কারণে তিনি যে কোম্পানির হয়ে কাজে গিয়েছিলেন তারাই বাড়িতে ফেরানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছে। রীতিমতো প্রাণ হাতে নিয়ে আর্মি ক্যাম্প থেকে বুলেট প্রুফ গাড়িতেই বিমান বন্দরে আসতে হয়েছে। ১৫ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করতে দেড় ঘন্টা সময় লেগেছে। রাস্তায় টহল দিচ্ছে তালিবান যোদ্ধারা। বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে রাস্তার দু'পাশে আতঙ্কিত বাসিন্দাদের দৌড়ঝাঁপ। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে রীতীমতো শিউরে উঠছেন রঞ্জিত। কাবুল থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফিরেছেন তিনি। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসায় দুশ্চিন্তা কেটেছে পরিবারের। তবে দুজনই এখন সেই আতঙ্কের স্মৃতি ভোলার চেষ্টা করে, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইছেন।
