এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছর ভর ঠিকমত ড্রেন সাফাই করে না পুরসভা। তাছাড়া নিকাশী নালা, নিকাশী খালের ওপর অবৈধ নির্মানের জেরে এলাকার জল নিকাশি ব্যবস্থা একদম ভেঙে পড়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় মিশন পল্লী সহ সোনারপুরের গড়িয়া, বোড়াল, রেনিয়া, সুভাষগ্রাম, কামরাবাদ, গ্রীন পার্ক এলাকার এমন করুন অবস্থা কেন হয়? পুর প্রশাসক পল্লব দাস বলেন, ‘সোনারপুর নিকাষী ব্যবস্থায় জন্য সাড়ে চারশো কোটি টাকার একটি ডিপিআর সরকারের কাছে জমা দেওয়া আছে। ওই কাজ শুরু হলে এই সমস্যা আর থাকবে না।
advertisement
এদিন জমা জল সরানোর দাবিতে রাস্তায় নামেন এলাকার বাসিন্দারা। প্ল্যাকাড হাতে বাসিন্দাদের দাবি, জমা জল থেকে আমাদের মুক্তি দিন। আর কতদিন এ ভাবে নোংরা জল কাদায় আমাদের বাস করতে হবে? বাসিন্দাদের অভিযোগের তীর রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার দিকে। পুরসভার অব্যবস্থার কারণেই, এমন দুরবস্থা পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। জমা জল কবে সরবে সে ব্যাপারে এখন কোন আশ্বাস বানী শোনাতে পারেনি পুরসভা। পুরসভার প্রশাসক পল্লব দাস আরো জানান, ‘জমা জল বার করার জন্য ছয় টি পাম্প চলছে। কিন্তু যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে তাতে জমা জল বার করার কিছুক্ষণ পরই আবার জল জমে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে ভারী বৃষ্টি হলে আবারও জল জমবে।‘ কবে এই জল সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে রাজপুর - সোনারপুর এলাকার মানুষ, এখন সেটাই দেখার।
