আগে পুজোর অনেক আগেই ঠাকুর গড়ার বায়না পেয়ে যেতেন এই সব পালেরা। সেইমতো বড় ও ছোট ঠাকুর গড়তেন। এর পাশাপাশি সারা বছরই নানান পুজোয় ছাঁচের মূর্তিরও চাহিদা ভাল ছিল। লক্ষ্মী, গণেশ, সরস্বতী সহ নানান দেবদেবীর ছোট মূর্তির বিক্রিয় ছিল অনেকটাই। করোনা পরিস্থিতির পর থেকেই চাহিদা কমেছে এইসব ছোট মূর্তির। লাভের মুখ দেখাতে দুরস্থ, হাতেগোনা ছাঁচের মূর্তি ও বিক্রি হচ্ছে না। ফলে সমস্যায় পড়েছেন এধরনের মৃৎশিল্পীরা।
advertisement
বাংলার শিল্পকলায় এক সময় নাম ছিল এই ছাঁচের তৈরি ছোট ছোট মূর্তিগুলির। কিন্তু একটু একটু করে আজ তা হারিয়ে যেতে বসেছে। অত্যাধিক রং এর দাম পাশাপাশি একাধিক সরঞ্জাম কিনতে মাথায় হাত পড়েছে এইসব পালেদের। আগের থেকে বিক্রি অনেক কমেছে, ফলে নতুন করে লগ্নি করার সাহস নিতে চাইছেন না কেউই। যে ক'টি হাতেগোনা ঠাকুর বিক্রি হচ্ছে সঠিক দাম ও মিলছে না তার। যাদের হাতের তুলির টানে একসময় প্রাণ পেত শত শত মূর্তি । এখন বন্ধ হতে বসেছে সেই কুটির শিল্প কলা। কবে তাদের এই পরিস্থিতির বদল হবে সেই আশায় দিন গুনছেন নন্দকুমারপুর অঞ্চল এর মৃৎশিল্পীরা।
