তবে এবার মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ল ব্যাপক পরিমাণে ইলিশ। ডায়মন্ড হারবারের নগেন্দ্র বাজারের বেশকিছু আড়তে প্রায় ছ\' হাজার কেজির বেশী ইলিশ ঢুকলো। গভীর সমুদ্র থেকে ১৫টি ট্রলার ইলিশ নিয়ে নামখানা ঘাটে ফেরে। প্রত্যেকটি ট্রলার কম বেশী প্রায় ৪০০ কেজি করে ইলিশ ধরে নিয়ে আসে। মরশুমে এই প্রথম একসঙ্গে এত ইলিশ আসায় কিছুটা হলেও লাভের মুখ দেখার আশায় আড়তদার থেকে মৎস্যজীবীরা। এদিন পাইকারী বাজারে ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ইলিশের কেজি প্রতি দাম গিয়েছে আটশো থেকে সাড়ে আটশো টাকার মধ্যে। আর ৮০০ গ্রাম থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের মাছ এক হাজার টাকা ও এক কেজি ওজনের কেজি প্রতি ইলিশের দাম ছিল ১৩০০ টাকার মধ্যে। এরকম পরিমাণ ইলিশ যদি পরপর ধরা পড়ে তবে কিছুটা হলেও এই বিপুল ক্ষতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে এমনটাই মনে করছেন মৎস্য ইউনিয়নের সদস্যরা। বিপুল খরচ ও আশানুরূপ মাছ ধরা না পড়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে অধিকাংশ ট্রলার মালিক সমুদ্র যাত্রা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন। কাকদ্বীপ মৎস্যজীবি ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র জানান, গভীর সমুদ্রে তেমনভাবে ইলিশের দেখা মিলছিল না, যেভাবে দিনের-পর-দিন জ্বালানির দাম বাড়ছে এভাবে বাড়তে থাকলে আগামী দিনের এই ব্যবসা সম্পূর্ণ বন্ধের মুখে। কর্মহীন হয়ে পড়বে কয়েক লক্ষ মানুষ। তবে এরপর থেকে যদি রুপালি শস্য অধিক পরিমাণে জালে ধরা পড়ে তবে আবারও তারা ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্র পাড়ি দিতে উৎসাহি হবেন। পাশাপাশি সরকার যদি জ্বালানির দাম কমানোর কোনরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সেই আবেদনও রাখা হচ্ছে মৎস ইউনিয়ন এর তরফ থেকে। জ্বালানি খরচ কম হলে কিছুটা হলেও ক্ষতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে মালিকপক্ষের। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সামান্য খরচের বিনিময়ে হাতের নাগালে মিলবে রুপোলী শস্য।
advertisement
রুদ্র নারায়ন রায়
