ভাঙড়ের নাংলা গ্রামে হান্নান মোল্লার বাড়ি থেকে গৃহবধূ লিলুফার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বছর দশেক আগে ভাঙড়ের কচুয়া গ্রামের মহিউদ্দিন মোল্লার মেয়ে লিলুফার সঙ্গে নাংলা গ্রামের হান্নান মোল্লার বিবাহ হয়।তাদের দুইটি সন্তানও আছে। বিবাহের পর থেকেই গৃহবধূর উপর লাগাতার অত্যাচার শারিরীক নির্যাতন চলতো বলে অভিযোগ। এদিন লিলুফার বাপের বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখেন মৃত অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে মেয়ে। তাদের দাবি, মেয়ে কে ওরা বালিশ চাপা দিয়ে খুন করেছে।মুহূর্তের মধ্যে এলাকার বাসিন্দা সহ লিলুফার বাপের বাড়ির লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আগেভাগেই বাড়ি ছেড়ে পালায় লিলুফার স্বামী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
advertisement
ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কাশীপুর থানার পুলিশ। উত্তেজিত জনতা কে বুঝিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। খুনের অভিযোগ তুলে পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানান। এর পাশাপাশি নাংলা গ্রামের তৃণমূল নেতা পিন্টু মোল্লার বিরূদ্ধে আসামী দের লুকিয়ে রাখার অভিযোগ তুলে তার বাড়িতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। ঘরের ভিতরে ঢুকেও চলে তল্লাশি।ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে এক বয়স্ক মহিলা এবং অভিযুক্ত স্বামী হান্নান মোল্লার এক ভাইকে আটক করে জিঞ্জাসাবাদ করছে কাশীপুর থানার পুলিশ।
