সেই সিদ্ধান্ত মতন পঞ্চায়েতের ভিতরে পুলিশ ক্যাম্প করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের নিরাপত্তার জন্য সেখানেই পুলিশ থাকতে শুরু করেছে। এই ঘটনার পর পুলিশ ক্যাম্প সরানোর দাবিতে সোচ্চার হয়েছে জমি কমিটি। তাদের দাবি দুর্নীতিগ্রস্ত পঞ্চায়েতের কর্মী এবং সদস্যদের আড়াল করতেই পুলিশ ক্যাম্প করা হয়েছে। পঞ্চায়েতে পুলিশ ক্যাম্প হলে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়বে বলেও দাবি করেন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মির্জা হাসান। এদিন তাই জমি জীবিকা বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখায়। অবিলম্বে এই পুলিশ ক্যাম্প পঞ্চায়েত থেকে না সরলে আরও বড় আন্দোলন হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেয়। পুলিশ এবং ব্লক আধিকারিকদের উদ্দেশ্যেও বার্তা দেওয়াহয়। প্রায় দু\'ঘণ্টা ধরে চলে তাদের এই বিক্ষোভ কর্মসূচি। এরপর, ঘটনাস্থলে আসেন প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকরা। তাদের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়। তবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ ক্যাম্প তুলে না নিলে আরও বড় আন্দোলন করবে বলেই জানান আন্দোলনকারীরা।
advertisement
