আরও পড়ুন- করোনা আক্রান্ত হলে কেন চলে যায় গন্ধ শোঁকার ক্ষমতা? জানালেন গবেষকরা
পাকস্থলী এবং হজম সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে কার্যকরি পেয়ারা (Guava Benefits)। অনেকে বলেন পেয়ারা খাওয়ার পরে পেটে ব্যথা হয়, ভুল নয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে এই ব্যথার কারণ পেয়ারার বীজ। তাই পেয়ারা খাওয়ার আগে বীজ ফেলে তবেই খাবেন। তাতে পেয়ারা খেলে পেটে ব্যথাও হবে না আপনার হজমেও সাহায্য করবে এই ফল।
advertisement
পেয়ারা ফাইবারে ঠাসা ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ের জন্য এটি আদর্শ। অনেক চিকিৎসকই রোগীদের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেয়ারা খাওয়ার পরামর্শ দেন।
আপনি যদি প্রায়শই গ্যাস এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা ভোগেন তবে পেয়ারা আপনার কাজে আসতে পারে। কিছু গবেষণায় জানা গিয়েছে, পেয়ারায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদপিণ্ডকে ফ্রি র্যাডিক্যাল সৃষ্ট ক্ষতি থেকেও রক্ষা করে।
আরও পড়ুন- একা ঘুরুন, আবিষ্কার করুন নিজেকে! ব্যাগে রাখুন মহিলাদের এই অত্যাবশ্যক জিনিসগুলি
এছাড়াও, পেয়ারা (Guava Benefits) ভিটামিন সি-এ ঠাসা। ফলে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
পাইলস রোগে উপকারে আসে পেয়ারা। যেহেতু কোষ্ঠকাঠিন্য পাইলসের প্রধান কারণ, তাই খালি পেটে পেয়ারা খাওয়া অত্যন্ত উপকারী।
ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় পেয়ারা আপনার ত্বকের জন্যও উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলিরেখা আটকায়।
তবে হ্যাঁ, সন্ধ্যায় বা রাতে পেয়ারা খাওয়া উচিত নয় মোটেও। এই সময়ে পেট সুষ্ঠুভাবে পেয়ারা হজম করতে পারে না। পেয়ারা খাওয়ার আদর্শ সময় হল বিকেলে, দুপুরের খাবারের প্রায় এক ঘণ্টা পরে। দুপুরের খাবারের কিছুক্ষণ পর পেয়ারা খেলে পেটের সব সমস্যা উপশম হয়। যদিও অত্যধিক পরিমাণে খেলে উলটে বাড়তে পারে সমস্যা।
