চম্পাহাটির বাসিন্দা, ৫৩ বছর বয়সি শ্যামল মণ্ডল গত ২২ বছর ধরে সফলতার সঙ্গে ফুচকার ব্যবসা করছেন। আগে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তবে সেই কাজে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। তখনই ‘মাস্টার প্ল্যান’ দিলেন শ্যালিকা নমিতা নস্কর। তাঁর পরামর্শেই ফুচকার ব্যবসা শ্যামলের। বাড়ির সামনে, কাটাখাল ব্রিজের কাছে ফুচকা বিক্রি শুরু করেন তিনি। তার পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
advertisement
শ্যামল মণ্ডল মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। প্রতিদিন বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা, এই নির্দিষ্ট সময়ে তাঁকে পাওয়া যায় ফুচকার দোকানে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ ছুটে আসেন তাঁর লোভনীয় স্বাদের ফুচকার লোভে।
কখনও ফাঁকা জলের বোতল শূন্যে ছুড়ে ফেলা, কখনও মুখে লঙ্কা মাখা, আবার কখনও ক্যারাটে স্টাইলে ফুচকা ভেঙে জল আর আলুভরা ফুচকা শূন্যে ছুড়ে দেওয়া… সব মিলিয়ে তাঁর অভিনব ফুচকা পরিবেশনের কৌশল মানুষের কাছে ব্যাপক আকর্ষণীয়!
দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে স্বচ্ছন্দেই চলছে শ্যামল মণ্ডলের সংসার। শ্যালিকার এক পরামর্শই তাঁর ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে। এনে দিয়েছে পরিচিতি, সম্মান আর স্বাবলম্বী জীবনের নিশ্চয়তা।





