সাইনোসাইটিস কীভাবে শনাক্ত করবেন?
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক সিরাজ সিদ্দিকী ব্যাখ্যা করেন যে সংক্রমণের লক্ষণগুলির মধ্যে প্রায়ই তীব্র মাথাব্যথা, নাক বন্ধ হওয়া, মুখ ভারী হওয়া এবং ক্রমাগত নাক দিয়ে পানি পড়া অন্তর্ভুক্ত থাকে। কিছু ক্ষেত্রে, বিবর্ণ শ্লেষ্মা এবং জ্বরও লক্ষণ হতে পারে। যদি এই লক্ষণগুলির দ্রুত সমাধান না করা হয়, তাহলে এই আপাতদৃষ্টিতে সহজ সমস্যাটি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় পরিণত হতে পারে, যা চোখ এবং মস্তিষ্কে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
advertisement
সাইনোসাইটিসের সহজ ঘরোয়া প্রতিকার
ডাঃ সিরাজ সিদ্দিকী ব্যাখ্যা করেন যে সাইনাসের ব্যথা দূর করার জন্য ঘরোয়া প্রতিকার খুবই কার্যকর। বাষ্প শ্বাস-প্রশ্বাস হল সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর সমাধান। গরম জল শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে নাকের পথ খুলে দেয় এবং জমে থাকা শ্লেষ্মা আলগা করে তা নিষ্কাশনের সুযোগ দেয়। এছাড়াও, নিয়মিত হালকা গরম জল পান করা এবং নেতি ক্রিয়া-এর মতো যোগব্যায়াম অনুশীলন নাকের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে পারে, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
আরও পড়ুন : অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে কী হবে? হতে পারে পুরুষ-বন্ধ্যাত্ব! এই ৫ তথ্য জানলে চমকে যাবেন
তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, সাইনোসাইটিস প্রতিরোধে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শীতকালে, আদা, তুলসী, কালো মরিচ এবং হলুদের মতো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ মশলা খাওয়া উচিত। ভেষজ চা বা ক্বাথ পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সাইনাসের প্রদাহ কমে। উপরন্তু, টক্সিন বের করে দেওয়ার জন্য এবং সাইনাসকে আর্দ্র রাখার জন্য হাইড্রেটেড থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, সাইনাস রোগীদের দূষণ এবং ঠান্ডা বাতাস থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য মাস্ক পরা উচিত। যদি ঘরোয়া প্রতিকার সত্ত্বেও ব্যথা অব্যাহত থাকে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে অবিলম্বে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ। সময়োপযোগী সতর্কতা এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলন করে, আপনি এই শীতে সাইনাসের প্রদাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন এবং একটি সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন।
