রাতে দ্রুত ঘুম না আসার ৫টি কারণ
অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম: ঘুম বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে ঘুমানোর আগে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ব্যবহার করা বা টিভি দেখা আপনার মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। এই ডিভাইসগুলি থেকে নির্গত নীল আলো ঘুমের জন্য অপরিহার্য হরমোন মেলাটোনিনের নিঃসরণে বাধা দেয়। এর অভাব আপনার মস্তিষ্ককে ঘুমাতে অনিচ্ছুক করে তুলতে পারে, এমনকি যখন আপনার শরীর ক্লান্ত থাকে।
advertisement
মানসিক চাপ এবং অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা: দিনের দুশ্চিন্তা, কাজের চাপ এবং ভবিষ্যতের চিন্তা রাতে মনকে শান্ত রাখতে পারে না। বিছানায় শুয়ে পড়ার সাথে সাথেই আপনার মনে বিভিন্ন চিন্তা ঘুরপাক খেতে শুরু করে, যার ফলে ঘুম বিলম্বিত হয়। ক্রমাগত চাপ ঘুমের মানকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। আপনি যদি তাড়াতাড়ি ঘুমাতে চান, তাহলে মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন এবং অতিরিক্ত চিন্তাভাবনা এড়িয়ে চলুন।
দেরিতে রাতের খাবার এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার: রাতে ভারী, মশলাদার বা ভাজা খাবার খেলে হজমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। দেরিতে রাতের খাবার শরীরকে খাবার হজমে ব্যস্ত রাখে, যা ঘুমের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংকের মতো ক্যাফেইনযুক্ত খাবারও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
আরও পড়ুন : ৩ ছোট্ট বীজের কামাল! খাওয়ার পর মুখে ফেললেই গায়েব বদহজম! গ্যাস-অম্বল-পেট ফাঁপা থেকে চিরমুক্তি
ব্যাহত রুটিন: প্রতিদিন বিভিন্ন সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠা শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক ঘড়িকে ব্যাহত করে। যখন শরীর ঘুমানোর সঠিক সময় জানে না, তখন ঘুম আপনাআপনি দেরিতে আসে। দেরি করে ঘুমানো এবং সপ্তাহান্তে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠাও একটি প্রধান কারণ।
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব: সারাদিন একই চেয়ারে বসে থাকা এবং ব্যায়াম না করাও ঘুমের উপর প্রভাব ফেলে। যখন শরীর ক্লান্ত থাকে না, তখন রাতে ঘুম গভীর হয় না। যখন আপনি শারীরিকভাবে ক্লান্ত থাকেন, তখন ঘুম দ্রুত আসে। হালকা ব্যায়াম অথবা সন্ধ্যায় হাঁটা ঘুমের মান উন্নত করতে পারে।
