রাজবাড়ির তত্ত্বাবধায়ক লক্ষ্মীকান্ত মালাকার জানান, “কেবল বাঘই নয়, রাজাদের শিকার করা হরিণ ও অন্যান্য বনজ প্রাণীর সংরক্ষিত দেহাবশেষও একইভাবে সংস্কার করা হচ্ছে। পরবর্তীতে এগুলিকে রাজবাড়ির বিভিন্ন প্রান্তে সযত্নে স্থাপন করা হবে, যাতে ঐতিহ্য ও শৈল্পিক সৌন্দর্য আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।”
আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনের পথে পথে ড্রপগেট-ব্যারিকেড! বন্ধ স্বাভাবিক যাতায়াত, কারণ জানালো বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ
advertisement
জানা যায়, প্রাচীন সময়ে বিভিন্ন রাজা ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে এই বাঘ ও অন্যান্য পশু শিকার করতেন। সেই সময়ের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ করতেই এগুলিকে বিশেষ পদ্ধতিতে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শিকার করা বাঘ ও হরিণের দেহাবশেষ যত্নসহকারে স্টাফিং করে রাখা হয়েছিল, যা আজও রাজবাড়ির অন্দরমহলে অতীতের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রাচীনকালের এই সব স্মৃতিচিহ্ন আজও ইতিহাসকে আমাদের সামনে জীবন্ত করে তোলে। এই গুলো শুধু এক একটি নিদর্শন নয়, বরং অতীতের গৌরবময় অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী। এই সমস্ত স্মৃতিচিহ্ন রাজাদের জীবনশৈলী সম্পর্কেও আমাদের ধারণা দেয় তাদের রাজত্ব ও শাসনব্যবস্থার। এই স্মৃতিচিহ্নগুলোর মাধ্যমে আমরা তৎকালীন রাজাদের জীবনযাপন, তাদের রুচি, সংস্কৃতি ও চিন্তাধারার পরিচয় পাই।





