শুধুই চিন নয়। নিউমোনিয়া দেখা দিয়েছে আমেরিকাতেও। সেখানেও শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়ার প্রকোপ শুরু হয়েছে। একসঙ্গে আক্রান্ত হয়েছে অনেকে।
চাইনিজ ওয়াকিং নিউমোনিয়া-য় কোনও একটি ভাইরাস নয়, একাধিক ভাইরাসের প্রভাবে সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে। যেমন, সার্স-কোভিড টু, প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা, এইচনাইনএনটু, রেসপিরেটরি সিনিক্যাল ভাইরা, মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া ভাইরাসের সম্মিলিত সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে রোগীর শরীরে। কী কী উপসর্গ দেখা দিলে সাবধান হবেন?
advertisement
নিউমোনিয়া হল লাং-এর সংক্রমণ যা এক বা দুটি লাং-কেই সংক্রমিত করে।Mycoplasma pneumonia-র মতো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নিউমোনিয়া হয় । ভাইরাসের সংক্রমণেও নিউমোনিয়া হয়। ভাইরাসগুলি হল– RSV- respiratory syncytial virus, Adenovirus, Influenza, Rhinovirus, COVID। নিউমোনিয়ায় ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এয়ার স্যাক বা অ্যালভিওলি ফ্লুইড বা পাসে ভর্তি হয়ে যায়।
নিউমোনিয়ার প্রধান লক্ষণ অস্বাভাবিক জ্বর। শিশুর জ্বর যদি ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং কিছুতেই না কমে, তখন অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। জ্বরের সঙ্গে কাশিও হবে, বুকে ব্যথাও হবে। নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও হয়।
চাইনিজ নিউমোনিয়ায় ফুসফুসে গভীর সংক্রমণ, সঙ্গে সর্দিকাশি, জ্বর এবং শ্বাসকষ্টে ভুগছে বাচ্চারা। ভর্তি করতে হচ্ছে হাসপাতালেও। প্রধান উপসর্গ হল খুব জ্বর, গলায় ব্যথা, মাইয়ালগিয়া, ক্লান্তি। শিশুদের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড কাশি ও শ্বাসকষ্ট-ও দেখা দিতে পারে। বমি ও ডায়ারিয়ার সমস্যাও দেখা যাচ্ছে
জ্বর আর কাশি না কমলে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বুকের এক্স-রে করে নিতে হবে। জ্বরের মাত্রা না কমলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করানোই উচিৎ। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে নিউমোনিয়ার জীবাণু শরীরে দ্রুত ছড়াতে থাকে।
ভগবানের মতো এগিয়ে এল সিভিক ভলান্টিয়ার, ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে যুবককে উদ্ধার করে ফেরাল পুলিশ
আরও দেখুন চিনে শিশুদের মধ্যে ‘রহস্যময় নিউমোনিয়া’-র প্রকোপ বাড়তেই সতর্ক ভারত। কেন্দ্র আগেই সতর্ক করে নির্দেশিকা জারি করেছে। নড়েচড়ে বসল ছয় রাজ্যও। স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিল রাজস্থান, কর্নাটক, গুজরাত, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা এবং তামিলনাড়ু সরকার। শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগী ভর্তি হলে চিকিৎসার কী ব্যবস্থা রয়েছে, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের তা জানাতে বলা হয়েছে।