পুজো উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, ৪৭ বছর ধরে পূজিত হয়ে আসছেন কালীমাতা। পৌষ মাসের সংক্রান্তিতে শুরু হয় দেবীর পুজো অর্চনা। টানা দশ দিন ধরে চলে কালী মায়ের পুজো এবং ইন্দিরা গান্ধি গ্রামীণ মেলা। মকর সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নে শুরু হয় মাতৃ আরাধনা। দেবী এখানে ডাকের সাজে সুসজ্জিতা। সুবিশাল বাঁশের কাঠামোর উপর পাটকাঠি, খড় এবং মাটির প্রলেপের মধ্যে দিয়েই তৈরি করা হয়েছে দেবী মূর্তি। আনুমানিক একমাস সময় লাগে এই মূর্তি তৈরিতে। এই মূর্তি তৈরিতে নিযুক্ত ছিলেন ৯ জন মৃৎশল্পী।
advertisement
আরও পড়ুন : বহু উপকারিতা সত্ত্বেও মাঘ মাসে মুলো খেতে নিষেধ করা হয় কেন? ক্ষতির কারণ জানলে আঁতকে উঠবেন!
সুবিশাল মূর্তি দেখতে দূর দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীদের ভিড় জমছে মন্দির প্রাঙ্গনে। ১৪ জানুয়ারি সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হয় পুজোর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী, হরিপুর অঞ্চলের প্রধান বীরেন মাহাতো, পঞ্চায়েত সমিতির মৎসের কর্মাধ্যক্ষ প্রিয়া সরকার গোস্বামী সহ শান্তিপুর থানার একাধিক পুলিশ কর্তা এবং ক্লাবের সকল সদস্যরা।