Radish or Mulo in Magh Month: বহু উপকারিতা সত্ত্বেও মাঘ মাসে মুলো খেতে নিষেধ করা হয় কেন? ক্ষতির কারণ জানলে আঁতকে উঠবেন!

Last Updated:
Radish or Mulo in Magh Month: এই সময়ে শাস্ত্রে মূলো খাওয়ার উপর সরাসরি কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই, তবুও কিছু লোক মাঘ মাসে মুলো খাওয়া এড়িয়ে চলেন।
1/6
মাঘ মাসকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। এই মাসে মানুষ পূজা, দান, স্নান এবং ধ্যানের উপর বেশি মনোযোগ দেয়। শান্তিপূর্ণ ও পুণ্যময় গৃহ পরিবেশ বজায় রাখার উপরও জোর দেওয়া হয়। অনেকেই এই মাসে কিছু খাদ্যতালিকাগত নিয়মও মেনে চলেন। উদাহরণস্বরূপ, অনেকে মাঘ মাসে মুলো খান না। সেই সব পরিবারে এই রীতি প্রচলিত যে মাঘ মাসে মুলো খেলে দেখা দেবে অসুস্থতা
মাঘ মাসকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। এই মাসে মানুষ পূজা, দান, স্নান এবং ধ্যানের উপর বেশি মনোযোগ দেয়। শান্তিপূর্ণ ও পুণ্যময় গৃহ পরিবেশ বজায় রাখার উপরও জোর দেওয়া হয়। অনেকেই এই মাসে কিছু খাদ্যতালিকাগত নিয়মও মেনে চলেন। উদাহরণস্বরূপ, অনেকে মাঘ মাসে মুলো খান না। সেই সব পরিবারে এই রীতি প্রচলিত যে মাঘ মাসে মুলো খেলে দেখা দেবে অসুস্থতা
advertisement
2/6
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পণ্ডিত উমাচন্দ্র মিশ্র ব্যাখ্যা করেছেন যে যদিও এই সময়ে শাস্ত্রে মূলো খাওয়ার উপর সরাসরি কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই, তবুও কিছু লোক মাঘ মাসে মুলো খাওয়া এড়িয়ে চলেন। পণ্ডিত উমাচন্দ্র ব্যাখ্যা করেছেন যে মুলো গ্যাস তৈরি করে এবং বদহজমে পেট খারাপ করতে পারে। এই কারণেই অনেক পরিবার এই মাসে মুলো এড়িয়ে চলে। ঠিক যেমন রসুন এবং পেঁয়াজকে তামসিক হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তেমনই মাঘে মুলো বর্জনীয় বলে মনে করা হয়৷
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পণ্ডিত উমাচন্দ্র মিশ্র ব্যাখ্যা করেছেন যে যদিও এই সময়ে শাস্ত্রে মূলো খাওয়ার উপর সরাসরি কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই, তবুও কিছু লোক মাঘ মাসে মুলো খাওয়া এড়িয়ে চলেন। পণ্ডিত উমাচন্দ্র ব্যাখ্যা করেছেন যে মুলো গ্যাস তৈরি করে এবং বদহজমে পেট খারাপ করতে পারে। এই কারণেই অনেক পরিবার এই মাসে মুলো এড়িয়ে চলে। ঠিক যেমন রসুন এবং পেঁয়াজকে তামসিক হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তেমনই মাঘে মুলো বর্জনীয় বলে মনে করা হয়৷
advertisement
3/6
পণ্ডিত উমাচন্দ্র আরও বলেন যে, মাঘ মাসে মূলা, রসুন এবং পেঁয়াজের মতো তামসিক খাবার বাদে, সবুজ শাকসবজি, ডাল, দুধ, দই এবং ফলমূলের মতো সাত্ত্বিক খাবার খাওয়া যেতে পারে। মাঘ মাসের আসল তাৎপর্য হল শরীর ও মনকে পবিত্র ও শান্ত রাখা। তাই, মানুষ তাঁদের বাড়িতে নিয়ম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেই অনুযায়ী খান।
পণ্ডিত উমাচন্দ্র আরও বলেন যে, মাঘ মাসে মূলা, রসুন এবং পেঁয়াজের মতো তামসিক খাবার বাদে, সবুজ শাকসবজি, ডাল, দুধ, দই এবং ফলমূলের মতো সাত্ত্বিক খাবার খাওয়া যেতে পারে। মাঘ মাসের আসল তাৎপর্য হল শরীর ও মনকে পবিত্র ও শান্ত রাখা। তাই, মানুষ তাঁদের বাড়িতে নিয়ম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেই অনুযায়ী খান।
advertisement
4/6
মুলোর প্রচুর পুষ্টিগুণ৷ কিন্তু মাঘ মাসে মুলো খাওয়া অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়৷ কিন্তু কেন শীতের সবজিকে শীতে খেতে নিষেধ করা হবে? এই নিষেধাজ্ঞার পিছনে আছে আয়ুর্বেদিক ব্যাখ্যাও৷ বহু উপকারিতা সত্ত্বেও মুলোর একাধিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও আছে৷ মনে করা হয় পৌষের পর মাঘমাসেও মুলো খেলেও এর অতিরিক্ত পরিমাণের জন্য সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া৷
মুলোর প্রচুর পুষ্টিগুণ৷ কিন্তু মাঘ মাসে মুলো খাওয়া অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়৷ কিন্তু কেন শীতের সবজিকে শীতে খেতে নিষেধ করা হবে? এই নিষেধাজ্ঞার পিছনে আছে আয়ুর্বেদিক ব্যাখ্যাও৷ বহু উপকারিতা সত্ত্বেও মুলোর একাধিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও আছে৷ মনে করা হয় পৌষের পর মাঘমাসেও মুলো খেলেও এর অতিরিক্ত পরিমাণের জন্য সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া৷
advertisement
5/6
এখন প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার জন্য সব বছর মাঘ মাসে তীব্র ঠান্ডা পড়ে না৷ কিন্তু আগে মাঘ মাস মানেই ছিল কনকনে শীত৷ ঠান্ডায় শরীর জনশূন্য হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়৷ অতিরিক্ত মুলো খেলে শরীর জলশূন্য হয়ে ডিহাইড্রেশনে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ মুলোর নির্যাসে শরীরে পিত্তক্ষরণ বেড়ে যায়৷ তাই যাঁদের কিডনিতে স্টোন এবং গলব্লাডারে স্টোন হওয়ার প্রবণতা আছে, তাঁরা শীতে বেশি মুলো খাবেন না৷
এখন প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার জন্য সব বছর মাঘ মাসে তীব্র ঠান্ডা পড়ে না৷ কিন্তু আগে মাঘ মাস মানেই ছিল কনকনে শীত৷ ঠান্ডায় শরীর জনশূন্য হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়৷ অতিরিক্ত মুলো খেলে শরীর জলশূন্য হয়ে ডিহাইড্রেশনে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ মুলোর নির্যাসে শরীরে পিত্তক্ষরণ বেড়ে যায়৷ তাই যাঁদের কিডনিতে স্টোন এবং গলব্লাডারে স্টোন হওয়ার প্রবণতা আছে, তাঁরা শীতে বেশি মুলো খাবেন না৷
advertisement
6/6
মাঘ মাসে যে মুলো বাজারে পাওয়া যায়, সেগুলি শীতের শেষে দিকের ফলন৷ ফলে সেগুলিতে কীট সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে৷ ভালভাবে পরিষ্কার না করে খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে৷ মুলো দিনের বেলা খেলে সেটি শরীরকে উষ্ণ করে৷ সেক্ষেত্রে এই সবজির উষ্ণ উপাদান প্রধান হয়ে ওঠে৷ একই সবজি রাতে খেলে সেটি শরীরকে শীতল করে তোলে৷ সেক্ষেত্রে সবজির শীতল উপাদান প্রধান৷ তাই মাঘ মাসের রাতে মুলো এড়িয়ে চলুন৷ (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
মাঘ মাসে যে মুলো বাজারে পাওয়া যায়, সেগুলি শীতের শেষে দিকের ফলন৷ ফলে সেগুলিতে কীট সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে৷ ভালভাবে পরিষ্কার না করে খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে৷ মুলো দিনের বেলা খেলে সেটি শরীরকে উষ্ণ করে৷ সেক্ষেত্রে এই সবজির উষ্ণ উপাদান প্রধান হয়ে ওঠে৷ একই সবজি রাতে খেলে সেটি শরীরকে শীতল করে তোলে৷ সেক্ষেত্রে সবজির শীতল উপাদান প্রধান৷ তাই মাঘ মাসের রাতে মুলো এড়িয়ে চলুন৷ (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
advertisement
advertisement
advertisement