তাহলে চলুন এক নজরে জেনে নিন বীরভূমে কোন কোন জায়গা হয়ে উঠতে পারে আপনাদের কর্মব্যস্তময় জীবন থেকে দূরে সরিয়ে দিন কয়েকের আদর্শ ট্রাভেল ডেস্টিনেশন।
হেতমপুর জমিদারবাড়ি: বীরভূমে যদি জমিদারবাড়ি নাম নেওয়া যায় তাহলে সবার আগে আসবে এই হেতমপুর জমিদারবাড়ি। আসলে এটি জমিদারবাড়ি হলেও স্থানীয় লোকেরা একে রাজবাড়ি বলেই ডাকে। বীরভূম জেলার দুবরাজপুর শহরের কাছে অবস্থিত। মামা ভাগ্নে পাহাড় গেলে আপনি পাহাড় দেখে এখন থেকে ঘুরে যেতে পারেন। এর পাশাপাশি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোলপুর শান্তিনিকেতন, সোনাঝুরি হাট বা খোয়াই হাট, কোপাই নদী।
advertisement
সুরুল জমিদারবাড়ি: ঐতিহাসিক দিক থেকে খুবই প্রাচীন জেলা বীরভূম। প্রাচীনকাল থেকেই এই জেলায় বহু জমিদারির পত্তন হয়েছিল, তারমধ্যে একটি হল এই সুরুল জমিদারবাড়ি। বোলপুর শান্তিনিকেতন থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জমিদারবাড়ি।
বল্লভপুর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য: এই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বোলপুরের কাছে অবস্থিত একটি সুন্দর এলাকা। এই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সৃজনী শিল্পগ্রাম: সৃজনী শিল্পগ্রাম শান্তিনিকেতনের বীরভূমে অবস্থিত ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টারের একটি ছোট গ্রাম্য পর্যটন স্পট। কমপ্লেক্সটি ২৬ বিঘা জমি জুড়ে বিস্তৃত এবং কুঁড়েঘরের মতো আকৃতির নয়টি জাদুঘর অন্তর্ভুক্ত।
অমর কুটির ইকো ট্যুরিজম পার্ক : বীরভূমের পরিবার-বান্ধব গন্তব্যগুলির মধ্যে একটি, অমর কুটির একটি মনোরম এবং শান্ত পরিবেশ সহ একটি দারুন ইকো-পার্ক। কোপাই নদীর তীরে অবস্থিত, পরিচ্ছন্ন ও সু-পরিচালিত পার্কটি প্রচুর সবুজ বনে ঘেরা।
কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে বীরভূমের দূরত্ব প্রায় ১৮৯ কিলোমিটার এর কাছাকাছি। শিয়ালদহ কিংবা হাওয়া থেকে বোলপুর কিংবা রামপুহাটে যাওয়ার ট্রেন পাওয়া যাবে। অন্যদিকে,বর্ধমানের নবাবহাট হয়ে জাতীয় সড়ক ধরে বর্ধমান ও অজয় নদ পেরিয়ে গাড়িতেও পৌঁছে যেতে পারবেন বীরভূমে।