তবে এরই মাঝে জলপাইগুড়ির তিস্তা–করলা সংযোগ মোহনায় মিলছে স্বস্তির ছবি। নদীতে যেন ভরপুর হয়ে উঠেছে এই সুস্বাদু মাছ। শীতের শেষে জলস্তর কমতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন জেলেরা। ভোরের আলো ফোটার আগেই জাল কাঁধে নেমে পড়ছেন তিস্তায়— লক্ষ্য একটাই, তিস্তার রুপোলি শস্য বোরলি ও নানা প্রজাতির নদিয়ালি মাছ। স্থানীয় জেলেদের কথায়, আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কম মিললেও এবারও তিস্তায় মোটামুটি ভালই মাছ পাওয়া যাচ্ছে।
advertisement
শুধু বোরলি নয়, সঙ্গে ধরা পড়ছে নানা ধরনের সুস্বাদু তিস্তার মাছ, যা বাজারে যথেষ্ট চাহিদাসম্পন্ন। শীতকালে নদীর জল কমলে মাছ ধরা তুলনামূলক সহজ হয় বলেই এই সময়টাই জেলেদের কাছে সবচেয়ে ব্যস্ততার। একজন জেলে জানান, “মাছ একটু কম হলেও যা পাচ্ছি, তাতেই সংসার চলছে। নববর্ষে বাজারে দাম ভালো থাকায় কিছুটা হলেও লাভ হচ্ছে।” নদীর দু’পাশে এখন শীতের আমেজ…কুয়াশা, ঠান্ডা হাওয়া আর জেলেদের জালের ঝাপটানি মিলিয়ে তিস্তা যেন আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
আরও পড়ুন : চিকেন রান্নার আগে-পরে ভুলেও করবেন না কিছু কাজ! মুরগির মাংস হয়ে যাবে ‘বিষাক্ত’ খাবার! দরকারি টিপস জানুন
স্থানীয় বাসিন্দা জলপাইগুড়ি শহরের নীতিন মজুমদার বলেন তিস্তার পাড়ে তিনি প্রতিদিনই মাছের খোঁজে যান কিন্তু বর্তমানে মাছের পরিমাণটা একটু বেশি দেখতে পারছেন জেলে তার ধরছে। বিভিন্ন ধরনের নদিয়ালি মাছের সঙ্গে বোরোলির দেখা মিলছে তিস্তা নদীতে করলা তিস্তার যেখানে করলা নদীতে সংযোগ হয়েছে, সেই জায়গাতে মাছের পরিমাণ একটু বেশি।