TRENDING:

বয়স বনাম হ্যাংওভার! থাকুন বিন্দাস

Last Updated:

একটা সময় ছিল যখন দুটো মার্টিনি, এক গ্লাস শ্যাম্পেন, অগুন্তি বিয়ারের বোতল শেষ করার পরও ছিলেন দিব্য৷ পরের দিন অফিস করেছেন হেসে খেলে ৷ হ্যাংওভার কী জিনিস, বেমালুম ভুলে গিয়েছেন৷ কিন্ত যত বয়স এগিয়েছে ৪০ এর দিকে, ততই সব গণ্ডগোল৷ অল্পতেই পা টলমল ৷ মগজে নেশার চাপ ৷ একটা কি দুটো পেগ, নেশা চরমে!ফ্রেন্ডস সার্কেলে রসিকতার শেষ নেই৷ পার্টি হুপার নামটা বুঝি এবার ত্যাগ করার পালা৷ এতদিনের দস্যি ইমেজে, নতুন রং! চিন্তায় পরলেন নাকি! নো চিন্তা, টুক করে পড়ে ফেলুন বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন...

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
একটা সময় ছিল যখন দুটো মার্টিনি, এক গ্লাস শ্যাম্পেন, অগুন্তি  বিয়ারের  বোতল শেষ করার পরও ছিলেন দিব্য৷ পরের দিন অফিস করেছেন হেসে খেলে ৷ হ্যাংওভার কী জিনিস, বেমালুম ভুলে গিয়েছেন৷  কিন্ত যত বয়স এগিয়েছে ৪০ এর দিকে, ততই সব গণ্ডগোল৷ অল্পতেই পা টলমল ৷ মগজে নেশার চাপ ৷ একটা কি দুটো পেগ, নেশা চরমে!ফ্রেন্ডস সার্কেলে রসিকতার শেষ নেই৷ পার্টি হুপার নামটা বুঝি এবার ত্যাগ করার পালা৷ এতদিনের দস্যি ইমেজে, নতুন রং! চিন্তায় পরলেন নাকি! নো চিন্তা, টুক করে পড়ে ফেলুন বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন...
advertisement

 হ্যাংওভার আসলে কি?

অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে নার্ভ হয়ে পড়ে দুর্বল৷ আর সেই দুর্বলতা কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে লাগে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময়৷ সেই সময়টাকেই সাধারণ অর্থে বলা হয় হ্যাংওভার৷ বিশেষ করে ড্রিংক করার পরের দিন সকাল থেকেই এর সুত্রপাত৷ মাথা ঝিম ঝিম, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি, অতিরিক্ত ঘাম, ঘুম ঘুম ভাব, এই সবই হ্যাংওভারের উপসর্গ৷ তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিভেদে, বয়সভেদে উপসর্গ আলাদাও হতে পারে৷ বিশেষজ্ঞদের মনে করেন, বয়সের সঙ্গে হ্যাংওভারের সর্ম্পক নাকি প্রচুর ৷

advertisement

বয়স ও হ্যাংওভার!

বয়স ও অ্যালকোহল যেন মাসতুতো ভাই৷ তাই মাঝে মধ্যে মিলন হলেও, টুকটাক খুনসুটি তো হতেই থাকবে৷ তবে জোয়ান বয়সে, মিলন হলেও, খুনশুটি শুরু হয় বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অ্যালকোহল ডিহাইড্রোজেনাস (এলকোহল পরিপাকের এনজাইম) সরবরাহ শরীরে কমে যায় ৷ আর সেই কমে যাওয়া এনজাইমের কারণেই অ্যালকোহলের প্রভাব বৃদ্ধি পায় শরীরে ৷ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে বয়স্ক মানুষেরা কম পরিমাণ জল খান৷ আর সেই কারণেই হ্যাংওভারের মাত্রা বেড়ে যায়, খুব সহজে ৷

advertisement

হ্যাংওভারের প্রতিকার

হ্যাংওভার কাটানোর জন্য তেমন কোনও নির্দিষ্ট প্রতিকার নেই ৷ ঠিকঠাক  বিশ্রাম, প্রচুর পরিমাণে জল, সঠিক সময়ে ও সঠিক পরিমাণে খাবার খেলে হ্যাংওভারের সঙ্গে মোকাবিলা করা যায় খুব সহজেই৷  তবে মদ্যপানের সময়ই যদি নিজেকে কন্ট্রোলে রাখা যায়, তাহলে তো কথাই নেই৷ কারণ কথায় আছে না, প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর!

advertisement

তবুও যদি হ্যাংওভারের কবলে পড়ে যান, তাহলে এক গ্লাস জলে পাতি লেবুর রস মিশিয়ে সকাল সকাল খালি পেটেই খেয়ে ফেলুন৷ ভুলেও কিন্তু এতে চিনি দেবেন না! কিংবা একটু বড় কাপে বা কফি মগে কড়া করে ব্ল্যাক কফি খেতে পারেন, এতেও কিন্তু চিনি থাকবে না ৷ বেশিক্ষণ সময় নিয়ে উষ্ণ জলে স্নান করুন৷ বেশিক্ষণ ধরে শাওয়ারের জল ঘাড়ে ফেলতে থাকুন৷ দরকার পড়লে, শাওয়ারের নীচেই ফ্রিহ্যান্ড ব্যায়াম করে নিন৷ দেখবেন ভালো ফিল করবেন ৷

advertisement

Photo Courtesy--- Moonshine Cafe & Bar

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
YouTube দেখে স্কেটিং শেখা, রাম মন্দির-কেদারনাথ জয় দশম শ্রেণীর পড়ুয়ার
আরও দেখুন

বাংলা খবর/ খবর/লাইফস্টাইল/
বয়স বনাম হ্যাংওভার! থাকুন বিন্দাস