গোন্ড কাটিরা কী: এটা একটা ভেষজ স্ফটিক। যা ট্রাগাকান্থ গাম নামেও পরিচিত। লোকোভিড গাছের রস থেকে এক ধরনের আঠা বের হয়। দেখতে অনেকটা প্যাঁচানো স্ফটিকের মতো। জলে ভেজালে এগুলো ফুলে যায়। কিছুক্ষণ নাড়লেই একটা ঘন মিশ্রণ তৈরি হয়। এটাকেই গোন্ড কাটিরা বলে। শরীর ঠান্ডা রাখতে, নাক থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে, কাশি, পেট খারাপ, আমাশার মতো বিভিন্ন রোগের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এটা ব্যবহার হত। এই গোন্ডের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা হল ডায়ারিয়ার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য উভয়ই নিরাময় করতে সাহায্য করে। তবে সমস্যা হল, এত উপকারিতা থাকলেও এটা খেতে বিস্বাদ। জলে মিশলে জেলির মতো ফুলে যায়। গোন্ড কাটিরা সেবন এবং ওজন কমানোর কিছু সহজ এবং কার্যকরী উপায় এখানে দেওয়া হল।
advertisement
আরও পড়ুন - সকাল সকাল গরম জলে মধু মিশিয়ে খান? চরম ক্ষতি করছেন না তো শরীরের? জানুন আয়ুর্বেদ যা বলছে
বাড়িতে বিভিন্ন উপায়ে গোন্ড কাটিরা তৈরির পদ্ধতি: এর কোনও স্বাদ নেই। কোনও গন্ধ নেই। গ্রীষ্মকালে ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উপায়ে এটা তৈরি করা যেতে পারে। তবে পানীয় এবং মিষ্টির সঙ্গে মেশালে খেতে ভালো লাগে।
এক বাটি গোন্ড কাটিরা: সকালের জলখাবারে এক বাটি গোন্ড কাটিরা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। রাতে একটা বাটিতে দেড় কাপ লো ফ্যাট দুধ, বাদাম, ১ থেকে ২ চা চামচ গোন্ড এবং সামান্য ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে গোন্ড জেলির মতো বাটিতে সেট হয়ে গেলে তাতে কিছু কুচো ফল, বাদাম এবং মধু দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে ভালো করে। ব্যস, জলখাবারে গোন্ড কাটিরা তৈরি।
আরও পড়ুন - বিবাহিত পুরুষদের কয়েকগুণ 'শক্তি' বৃদ্ধি করে! প্রেমের বাঁধনে সঙ্গীদের বেঁধে রাখে রাতদিন...
গোন্ড কাটিরা শরবত: এক গ্লাস জল, এক চা চামচ গোন্ড, গুঁড়ো পুদিনা পাতা এবং দুটো লেবুর রস মিশিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে। পরদিন গোন্ড ফুলে গেলে মধু, বিট নুন এবং ঠান্ডা জল ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে খেতে হবে। এটা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
