সোশ্যাল মেডিসিনের চিকিৎসক ডা. অভয় কুমার বলেন, এটি হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস-সহ আরও অনেক রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করতে পারে। তিনি বলেন, আজকাল মানুষ নানা ধরনের খাদ্য দ্রব্যে অভ্যস্ত। কিন্তু শাক-সব্জির কোনও বিকল্প নেই। এগুলি পুষ্টি জোগায়। খনিজ, ভিটামিনে ভরপুর এই খাদ্য মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
লাফা শাক খুবই সহজ লভ্য। পূর্ণিয়ার সরকারি মেডিক্যাল কলেজের সোশ্যাল মেডিসিনের চিকিৎসক ডা. অভয় কুমার বলেন, লাফা শাক সমস্ত পুষ্টি উপাদান, খনিজ লবণ এবং ভিটামিনে ভরপুর। এতে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড। এগুলি মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
advertisement
চিকিৎসক আরও বলেন, শুধু লাফা শাকই নয়। সবুজ শাক সব্জির মধ্যে পালং শাক, বাথুয়া, সর্ষে-সহ নানা ধরনের শাক পাওয়া যায় এই শীতকালে। সবই স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী। তাই অন্তত এই সময় নিয়মিত খাদ্য তালিকায় সবুজ শাক অবশ্যই রাখা প্রয়োজন। ডা. অভয় বলেন, সপ্তাহে অন্তত তিন-চার দিন নিয়মিত ডায়েটে শাক-সব্জি রাখা দরকার। এই অভ্যাস শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।
লাফা শাক গর্ভবতী মহিলাদের হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, ক্যানসার, চর্মরোগ, দুর্বল হাড়ের মত সমস্যা থেকে বাঁচাতে সহায়তা করে।
কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রেও লাফা শাক খুবই উপকারী। যেকোনও শাকেই প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, তর ফলে কোষ্ঠবদ্ধতার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়।
তবে মনে রাখতে হবে, এই শাক রন্ধন পদ্ধতিতে যতটা সম্ভব তেল ও মশলা বাদ দিতে হবে। সাধারণত লাফা শাক রান্নার জন্য খুব বেশি তেল মশলার প্রয়োজন হয় না। লাফা শাক খেলে শরীরের কোনও ক্ষতও দ্রুত সারিয়ে তুলতে পারে।
