এই বছর কয়েক দিন ভাঙা মেলাও থাকবে বলে জানা গিয়েছে। সেই মতো জোরকদমে চলছে মেলার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। মঙ্গলবার থেকে অফলাইন ও অনলাইনের মাধ্যমে শুরু হয় মেলার স্টল বুকিং। ইলামবাজারের বিডিও অনির্বাণ মজুমদার বলেন, ” অফলাইন ও অনলাইনে মাধ্যমে ৩০০টি স্টল বুকিং করা হয়েছে। প্রয়াস নামে একটি অনলাইন অ্যাপ চালু করা হয়েছে বুকিংয়ের সুবিধার জন্য। আরও চার দিন স্টল বুক করা যাবে।”
advertisement
অন্য দিকে, ইলামবাজার ব্লক বামফ্রন্ট কমিটির তরফে মেলায় ছোট-বড় দোকানদার, প্রদর্শনী, নাগরদোলা ইত্যাদির জায়গা নিতে গিয়ে যাতে দালালদের খপ্পরে না পড়তে হয় তার জন্য মেলা কমিটিকে সজাগ থাকা, ব্যবসায়ীদের সমস্যা কাটানো, পরিকাঠামোকে আরও উন্নত করা, মেলা এলাকার মধ্যে বসবাসকারী স্থায়ী বাসিন্দা-সহ তাঁদের আত্মীয়-স্বজনেরা যাতে মেলার জন্য টোল ট্যাক্সে যাতে হয়রানির শিকার না-হন তার ব্যবস্থা করার দাবিতে বিডিওর কাছে একটি স্মারকলিপিও দেওয়া হয়। জয়দেব মেলায় প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। ভিন রাজ্য, এমনকি দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের পর্যটকরাও আসেন।
আরও পড়ুন : বাবুঘাটের পর বকখালি! সূর্যাস্তের আলোয় গঙ্গারতি দর্শনে মুগ্ধ পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা
প্রায় ৪০০ বছরের প্রাচীন এই মেলা, বছরের এই বিশেষ সময়ে তাতে ভিড় জমায় দূর দূরান্তের মানুষ। এই বছর জয়দেব মেলায় ভিড় বাড়তে পারে, তা অনুমান করেই ইলামবাজার থানার পুলিশ, গোটা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হবে। জয়দেব-কেঁদুলিতে পুলিশ কন্ট্রোল রুম খোলা হবে বলে সূত্রের খবর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বহু জায়গায় লাগানো হবে সিসিটিভি ক্যামেরা।
