সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই বলেছেন তিনি তথ্যাসক্ত৷ অর্থাৎ সব সময় মনে হয় আরও আরও তথ্য চাই৷ দিন শুরুর থেকে শোনার পর সন্ধ্যায় নিজেকে ক্লান্ত বিধ্বস্ত মনে হত৷ তিনি বুঝতে পারতেন না এর কারণ কী৷ বুঝতে পারলেন তাঁর হাতে যখন এল ‘ডোপোমাইন ডিটক্স’৷ থিবাউ ম্যোরিজের লেখা এই বই তাঁকে আমূল পাল্টে দিয়েছে৷ সাহায্য করেছে আসক্তি কাটিয়ে উঠতে৷ বলছেন এই অভিনেতা তথা লেখক৷
advertisement
বইটা পড়ার পর সুস্মিতার উপলব্ধি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত শুনতে থাকা আদতে বাড়িয়ে তোলে ডোপোমাইন হরমোনকে৷ যত উজ্জীবিত হয় এই হরমোন, তত আমাদের মনে হতে থাকে আরও, আরও চাই৷ আরও দেখতে হবে, আরও শুনতে হবে৷ সেইসঙ্গে অ্যালগোরিদম মনের মতো কনটেন্ট পাঠাতেই থাকে৷ ফলে আমরা আসক্তি কাটিয়ে বেরিয়ে আসতেই পারি না৷ সুস্মিতা ভাবলেন, এর থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে৷ তার জন্য দরকার ডিজিটাল ডিটক্স৷ তিনি বইয়ের পরামর্শ মতো একটু একটু করে কমাতে থাকলেন ডিজিটাল টাইম৷
https://www.threads.com/@susmita_mukherjeeofficial/post/DWtqhRfiBjC?xmt=AQF0N5UT1sf1heJsiKHfLAGRmO5WWsdHl9tniIxzJtCQFQ
যেমন করে মদ্যপানের নেশা কমানো হয়, ঠিক সেরকমই৷ প্রথম দিন একটা পডকাস্ট দেখে বন্ধ করে দিলেন৷ দ্বিতীয় দিন হয়তো ইউটিউব শুনলেন৷ এভাবে কমাতে কমাতে ৪৮ ঘণ্টা ডিটক্স করলেন৷ সম্পূর্ণ দূরে থাকলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু শোনা বা দেখা থেকে৷ এভাবে আসক্তি কমাতে কমাতে তিনি টানা ৮ দিন ডিজিটাল ডিটক্স করেছেন৷ সম্পূর্ণ দূরে থেকেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু শোনা বা দেখা থেকে৷ তার পর নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে৷
আরও পড়ুন : ৬ টা গাছের যে কোনও ১টা, ২ টো গন্ধ…সাপ আসবেই না বাড়িতে! বাঁচুন বিষাক্ত ছোবল থেকে!
সুস্মিতার মনে হয়, তিনি যখন পেরেছেন, তাঁর দর্শকরাও পারবেন৷ এবং এটা পারতেই হবে বলে তাঁর মত৷ তাহলে ক্লান্তি কাটিয়ে অনেক বেশি ভাল থাকা সম্ভব৷ প্রসঙ্গত ডিজিটাল ডিটক্স নিয়ে সরব হয়েছেন অনেকেই৷ মস্তিষ্ক থেকে ডিজিটাল-বর্জ্য পরিষ্কার করতে একান্ত প্রয়োজনীয় ডিজিটাল ডিটক্স৷ কারণ যে কোনও আসক্তিই শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে আমাদের ক্ষইয়ে দেয়৷ সমৃদ্ধ করে না৷
