TRENDING:

#জুলফিকর রিভিউ: টলিউডের সব স্টার নিয়েও, ডুবল সৃজিতের ‘জুলফিকর’

Last Updated:

প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি ৷ অস্টমীর ছবি, একাদশীতে এসে রিভিউ ! আসলে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পুজোর ছবি

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
#কলকাতা: প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি ৷ অস্টমীর ছবি, একাদশীতে এসে রিভিউ করায় ! আসলে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পুজোর ছবি ‘জুলফিকর’ এমন ছবি নয়, যা নিয়ে তাড়াহুড়ো করা যায় ৷ অন্তত, ছবিটা  দেখার পর , তা কেমন হয়েছে জানানোর উৎসাহটা প্রায় উবেই যায় ৷ কারণ, যা তাড়াহুড়ো রয়েছে, তা একা হাতে পরিচালক সৃজিতই করেছেন সিনেমার পর্দায় জুড়ে ৷ কিন্তু কেন করলেন এত তাড়াহুড়ো ?
advertisement

ছবি প্রোমোশনের সময় বার বার গোটা জুলফিকর টিম নানা সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, শেক্সপিয়রের জুলিয়াস সিজার এবং অ্যান্টনি-ক্লিওপেট্রা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হয়েছে এই ছবি ৷ আর যার সঙ্গে মিশে গিয়েছে কলকাতার খিদিরপুর অঞ্চলের অপরাধ জগত৷ কিন্তু ছবি দেখতে বসে, স্পষ্ট হয়ে যায় জুলিয়াস সিজারের দুর্বল অনুকরণ, আর খিদিরপুর অপরাধ জগত ? বাচ্চাদের লুকোচুরি খেলাও হয়তো এর থেকে বেশি ইন্টারেসটিং হয় ৷ অন্তত, সৃজিত যেরকমটি ‘চেজিং’ দৃশ্য, অ্যাকশন দৃশ্য দেখিয়েছেন ছবিতে তা নিতান্তই ভিডিও গেম থেকেও দুর্বল পর্যায়ে !

advertisement

প্রথম প্রশ্ন ৷ অ্যাকশন সিকোয়েন্স আউট অফ ফোকাশ কেন? অনেক সময়ই মোবাইল ক্যামেরায় তোলা ফুটেজ মনে হয় ৷ সে তো নয় গেল, টেকনিক্যাল পার্ট ৷ গল্প ?

গডফাদারকে টুকে, থুড়ি অনুপ্রেরণা পেয়ে টেবিলে চেয়ার বসিয়ে ‘গুণ্ডাদের’ বৈঠক দেখালেন ৷ কিন্তু সেখানে তৈরি করতে পারলেন না কোনও টেনশন ৷ তৈরি করতে পারলেন না কোনওরকম ড্রামা ৷ কথায় কথায় বন্দুক দেখালেই কী আর অ্যাকশন ছবি হয় !

advertisement

তা জুলিয়াস সিজর থেকে কী কী নিলেন সৃজিত ? ইংরেজি থেকে বাংলায় কপি পেস্ট করেছেন ব্রুটাস ও মার্কিজের ‘স্পিচ’ ৷ Beware the ides of March, Et tu, Brute, Friends, Romans, countrymen, lend me your ears, জুলিয়াস সিজারের এই জনপ্রিয় ‘কোট’গুলো রয়েছে বাংলায় ! আর বাকিটা খিদিরপুরের অপরাধ জগত, নিষিদ্ধ কাজের মালিকানার সঙ্গে মেলাতে গিয়েছিলেন, ঠিক যেমন বিশাল ভরদ্বাজ ‘হয়দর’ ছবিতে হ্যামলেটকে টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন কাশ্মীরের অশান্ত প্রেক্ষাপটে ৷ তবে বিশাল ছিলেন সফল ৷ আর সৃজিত ‘অসফল’ !

advertisement

সৃজিতের ‘জুলফিকর’ অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট দোষে দুষ্ট ৷ যদি এই ছবিতে অভিনয় বলে কেউ কিছু করে থাকেন, তাহলে তাঁরা হলেন কৌশিক সেন ও যিশু সেনগুপ্ত ! আর বাকিরা ? শুধুই আছেন ৷

এই ছবির সবচেয়ে বড় স্টার বললে হয়তো কম বলা হবে না প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে ৷ তিনিই ছিলেন সবচেয়ে বেশি দুর্বল ৷ প্রথমভাগে ছবিতে তাঁর মৃত্যু ঘটলেও, বার বার আত্মা হয়ে ফিরে আসা, এবং হাত তুলে কৌশিক সেনকে কাছে ডাকা ! ‘অমরসঙ্গী’র চিরদিনই গানের সুরকে আবহসঙ্গীতের জায়গায় মিস করতে হয় ! এরকম চিত্রনাট্যের কী সত্যিই দরকার ছিল? প্রশ্ন ওঠে ৷

advertisement

ছবিতে দেব নির্বাক ৷ সবাক থাকলেও যা হোত, নির্বাকেও তাই ৷ দেব আছেন নিজের ‘চ্যালেঞ্জ’ মার্কা ইমেজেই৷ পরমব্রত-র বিশেষ কিছু করার ছিল না ৷ তাই করেননি ৷ দুর্বল অঙ্কুশ, রাহুল ৷ মায়া হয় শ্রীজাতকে দেখে ৷ কষ্ট হয় পাওলির মতো অভিনেত্রীকে কোনও কাজেই লাগনো হল না ছবিতে ৷ গোটা ছবিতে নুসরত ফ্যালফ্যালে চোখে তাকিয়ে ছিলেন, আর বলেছেন ‘কিছু খেয়ে বেরিয়েছো?’ এটাই কী সৃজিতের ক্লিওপেট্রা !

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ভগবানের মতো এগিয়ে এল সিভিক ভলান্টিয়ার, ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে যুবককে উদ্ধার করে ফেরাল পুলিশ
আরও দেখুন

সৃজিতের ‘জুলফিকর’ থেকে পাওয়া একমাত্র প্রাপ্তিই হল নচিকেতার গান ‘এক পুরনো মসজিদে’ ৷ সেটাকেও হেলায় ব্যবহার করলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় ৷

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
#জুলফিকর রিভিউ: টলিউডের সব স্টার নিয়েও, ডুবল সৃজিতের ‘জুলফিকর’
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল