বৈশাখীর রাজনীতিতে আসার আসল কারণ সেই ‘বন্ধুত্ব’ ৷ বিজেপিতে সরকারিভাবে যোগদানের পর বৈশাখী জানালেন, ‘শোভনের পাশে থাকতেই বিজেপিতে ৷ আগেও শোভনের পাশে ছিলাম ৷ ভবিষ্যতেও শোভনের পাশে থাকব ৷ দলের রং না দেখেই শোভনের পাশে থাকব৷ তৃণমূলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না ৷’
রাজনৈতিক না হোক, সম্পর্কের ভবিষ্যৎটা সেদিনই স্পষ্ট হয়েছিল। শোভন চট্টোপাধ্যায় তখন শাসকদলের দাপুটে নেতা। কলকাতার মেয়র। তারপর নানা উত্থান-পতন, ঝড়ঝাপটাতেও টলেনি শোভন-বৈশাখী সম্পর্ক। বেহালার বাড়ি ছেড়ে শোভনের গোলপার্কে উঠে আসা, বান্ধবীকে পদ পাইয়ে দিতে প্রভাব খাটানো - একসঙ্গে ঘোরাঘুরি -- সবটাই খুল্লমখুল্লা। স্ত্রীর বিরুদ্ধে ডিভোর্সের মামলায় আদালতে হাজিরার সময়ও শোভনের পাশে বৈশালী। রঙ মিলিয়ে দুজনের পোষাক। মনে আর সম্পর্কে রঙমিলান্তি। বিজেপি যোগ দেওয়ার সময়ও একই ছবি।
advertisement
Location :
First Published :
Aug 14, 2019 7:03 PM IST
