এর মধ্যে দুটি ক্ষেত্রে বারবার বদল হয়েছে সাংসদের মুখ। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে পরাজিত হয় তৃণমূলের দীনেশ ত্রিবেদী, মৌসম বেনজির নুর ও অর্পিতা ঘোষ। তিন জনকেই রাজ্যসভায় পাঠায় তৃণমূল কংগ্রেস।
advertisement
এর মধ্যে ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে সংসদে অন রেকর্ড তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন দীনেশ ত্রিবেদী। তার পর পরই ছাড়েন সাংসদ পদ ও দলের সদস্যপদ। তার ছেড়ে যাওয়া আসনে পাঠানো হয় অবসরপ্রাপ্ত আমলা জহর সরকারকে।
এরপরে আর জি কর আন্দোলনের সময়ে সাংসদ পদ ও দল ছেড়ে দেন জহর সরকার। ফাঁকা হয়ে যাওয়া আসনে পাঠানো হয় ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে, গোয়া বিধানসভা ভোটের আগে সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন অর্পিতা ঘোষ। সেই জায়গায় পাঠানো হয়, গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেরিওকে।
রাজ্যসভার ভোটের দিনক্ষণ
কিন্তু, বেশিদিন তিনি স্থায়ী হননি। দ্রুতই তৃণমূলের সদস্যপদ ও দল ছাড়েন লুইজিনহো। সেই ফাঁকা আসনে পাঠানো হয় আরটিআই অ্যাক্টিভিস্ট সাকেত গোখেলকে। এই দুই আসনে এতবার মুখ বদল হয়েছে যে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও বারবার আলোচনা হয়েছে।
কিছুদিন আগেই তৃণমূল দল ও সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ফের কংগ্রেসে ফিরেছেন মৌসম বেনজির নুর। এছাড়া এই রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিরও।
তৃণমূল ছাড়াও, রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে মেয়াদ শেষ হচ্ছে বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের। বিধায়কের হিসাবে এই মুহূর্তে বিধানসভায় প্রতিনিধি নেই বামেদের। ফলে রাজ্যসভাতেও বাংলা থেকে এবার শূন্য (০) হচ্ছে বামেরা।
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভার পাঁচ জন সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল। কাছাকাছি সময়ে খালি হচ্ছে ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি আসন। এই পরিস্থিতিতে ওই আসনগুলিতে ভোটের নির্ঘণ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ওই পাঁচ আসন-সহ দেশের মোট ৩৭টি রাজ্যসভার আসনে ভোট হবে।
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জারি হবে নোটিফিকেশন৷ ৫ মার্চ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ৷ তারপরে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ মার্চ৷ রাজ্যসভা সদস্য পদের নির্বাচন ১৬ মার্চ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে৷ ভোট গণনা ওই দিনই বিকেল ৫টা থেকে৷
