বিশেষ করে উত্তর দিনাজপুর, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলায় এসআইআর শুনানির সময় উত্তেজনা এবং তাণ্ডবের ঘটনা সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না কমিশন। তাই নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ কার্লি চুলের জন্য একাধিক সিনেমা থেকে বাদ! অডিশনে অপমানের স্মৃতি এখনও তাজা এই অভিনেতার
advertisement
এছাড়া এসআইআর শুনানি চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে শোকজ করার বিষয়টিও মাথায় রাখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
কমিশনের একাংশের মতে, ২০২১ সালের বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ এবারের নির্বাচনে দফা সংখ্যা তুলনামূলক কম হতে পারে—ফলে প্রতি দফায় বেশি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
এক্ষেত্রে সদ্য রাজ্যে নিযুক্ত স্পেশ্যাল অবজারভারের রিপোর্ট ও মতামতের ভিত্তিতেই কত সংখ্যক বাহিনী আগাম মোতায়েন হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে প্রাথমিক ইঙ্গিত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দেওয়া হয়েছে বলেও কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।
সব মিলিয়ে ভোটের আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে স্পর্শকাতর এলাকায় কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
