এই দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সাপ্লাই চেন টা ঠিক করলে প্যানিকটা কমবে। এই সমস্ত নিয়ে পুরো আলোচনা হয়েছে। আলোচনা টা ভালো হয়েছে। কাল আমি ডিএম, এসপি, সব ডিপার্টমেন্ট এর আধিকারিকদের নিয়ে সাড়ে চারটে থেকে ভার্চুয়াল বৈঠক করব।” এরপরেই এলপিজি গ্যাসের কালোবাজারি নিয়ে কড়া বার্তা দেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রতিটি জেলায় ওদের নোডাল অফিসার রাখতে বলেছি।পুলিশ কে আমি বলেছি নজর রাখতে যদি কেউ হোল্ডিং করে রাখে। আমরা আবেদন করেছি সব মানুষ হোল্ডিং করে না। সবাই ব্ল্যাকমেল করে না।”
advertisement
একইসঙ্গে এলপিজির বিষয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আপনারা বলছেন ৯৬ পার্সেন্ট ডোমেস্টিক বাকি ৪ পার্সেন্ট বাণিজ্যিক। তাহলে সেটা ২ পার্সেন্ট দিন। আমরাও চেষ্টা করবো যতটা অংশ গ্রহণ করতে পারি। গ্যাস সাপ্লাইটা ইম্পোর্ট করতে হয়। আমরা আত্ম নির্ভর নয়। তারা পাঠালে ভালো, না পাঠালে বিকল্প ব্যবস্থা করুন। কেরোসিন ভর্তুকি বন্ধ করে দিয়েছে। কেরোসিনটা সহজলভ্য করে দিন।”
কোভিডের সময় যেভাবে সমন্বয় রক্ষা করা হয়েছিল সেভাবেই কাজ করার বার্তা দেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” covid এ যেমন কাজ করেছি, এখানে ও জোর জবরদস্তি না করে ওদের সঙ্গে সমন্বয় করে, আমরা একটা sop করবো, ওরা stock টেকিং টা জানাবে। আমরাও জানাবো। দরকার হলে তিন চারটে খুলে দিন।”
