সেই বৈঠকে থাকবেন রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিক, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার-সহ প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা। বৈঠকে সমস্ত পুজো কমিটিগুলোকেই আমন্ত্রণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: তৃতীয় শ্রেণীর ক্লাসরুমে ভেঙে পড়ল একটা আস্ত সিলিং ফ্যান! আহত ১ শিশু
এ ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে দমকল, কলকাতা পুরসভা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, সিইএসসির মতো সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। প্রতি বছরই পুজোর বেশ কয়েক মাস আগে থেকে মুখ্যমন্ত্রী এই পুজোর বৈঠকটি করে থাকেন৷ সেখান থেকেই তিনি প্রতি বছর বারোয়ারি পুজো কমিটিগুলোর জন্য সরকারি অনুদান ঘোষণা করেন৷ বিদ্যুতের বিল সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তও ঘোষণা করেন।
advertisement
নবান্নের শীর্ষকর্তা সূত্রে খবর এ বারও তার অন্যথা হবে না বলেই মনে হয়৷ বৈঠকে উপস্থিত থাকবে জেলার পুজো কমিটিগুলোও৷ তবে তাঁদের উপস্থিতি থাকবে ভার্চুয়ালি৷
আরও পড়ুন: ট্রেন চলে আসায় ৯০ ফিট উঁচু ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দিল দম্পতি! ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটল রাজস্থানে
ইতিমধ্যেই দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর সম্মান পেয়েছে৷ এখন থেকেই পুজো কমিটিগুলো তাঁদের প্যান্ডেল তৈরির প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে৷ অনেক পুজো কমিটি তাঁদের খুঁটি পুজোও সম্পূর্ণ করেছে৷
এই বছর অমাবস্যা ২ অক্টোবরে মহালয়া। ৯ তারিখ ষষ্ঠী তিথি থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে উৎসবের সূচনা হয়ে যাবে৷
তবে প্রতিবছর দেবীপক্ষের সূচনার দিনইকলকাতার মণ্ডপগুলি উদ্বোধন হয়ে যায়। সেই কথা মাথায় রেখেই পুলিশ প্রশাসনকে প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। পুজোর দিনগুলিতে সুষ্ঠু ও সুচারু ভাবে প্রশাসন নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারার লক্ষ্যেই এই বৈঠক হচ্ছে৷
অগস্ট থেকেই কলকাতায় পুজো কমিটিগুলি নিজেদের পুজো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাবে। সেই জন্য পুজো কমিটিদের অসুবিধার কথা মাথায় রেখেই জুলাই মাসের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী এই বৈঠক করে ফেলতে চাইছেন। সুষ্ঠুভাবে পুজো পরিচালনার জন্য রাজ্য তথা পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে পুজো কমিটিগুলোর সমন্বয় খুব জরুরি৷ বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সেই বিষয়ে নিয়েও কথা বলতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে৷
