এক দিকে বামফ্রন্ট নেতৃত্ব— মহম্মদ সেলিম, বিমান বসুরা জানাচ্ছেন, আলোচনার মাধ্যমে ২৯টি আসন আইএসএফের জন্য ছেড়ে রাখা হয়েছে। অন্য দিকে আইএসএফের সাফ দাবি—তারা ৩২টি আসনে প্রার্থী দেবে। কিন্তু, বাস্তবে দেখা যাচ্ছে অন্য ছবি।
advertisement
আইএসএফ ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রাম, পুড়শুড়া আরও একটি এমন আসনে তারা প্রার্থী নাম ঘোষণা করেছে যেখানে বামফ্রন্টের তরফ থেকে সিপিআইএমের প্রার্থী দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। শুধু তাই নয়, মধ্যমগ্রাম আসন ঘিরে আইএসএফ ও বাম শরিক ফরোয়ার্ড ব্লকের মধ্যে সরাসরি সংঘাত তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষের পুরনো অভিজ্ঞতাও সুখকর নয়। গত বিধানসভা নির্বাচনে ৩২টি আসনে লড়লেও, একাধিক ক্ষেত্রে শরিকদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিল আইএসএফ।
এর মধ্যেই নতুন বিতর্ক— একদা সিপিএমের কট্টর প্রতিপক্ষ আরাবুল ইসলামকে প্রার্থী করা নিয়ে জোটের ভেতরেই বাড়ছে অস্বস্তি। মহম্মদ সেলিম এই নিয়ে বলেন, “যাকে আমরা হারাবো, তাকে বগলদাবা করবো—এটা বামপন্থীরা মানে না। দুর্বৃত্তদের নিয়ে কোনও লাভ নেই। এখানে কোনও ওয়াশিং মেশিন নেই।”
পাশাপাশি এই প্রসঙ্গে আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “আইএসএফ কাকে প্রার্থী করবে, সেটা আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। অন্য কোনো দল আমাদের পলিসি ঠিক করতে পারে না।” পরস্পর বিরোধী অবস্থান, আসন নিয়ে দ্বন্দ্ব, প্রার্থী তালিকায় সংঘাত— সব মিলিয়ে ভোটের আগে বাম-আইএসএফ জোটে স্পষ্ট ফাটল দেখা গিয়েছে। এখন দেখার, এই সমীকরণ শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।
