দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আরাবুলকে সামনে রেখে কোনওভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে একই ধরনের বিতর্কিত মুখকে গ্রহণ করা রাজনৈতিকভাবে অসংগত। এই বার্তা ইতিমধ্যেই আইএসএফ নেতৃত্বের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
সেলিম বলেন, “আমরা দুর্বৃত্তায়ন, দুর্নীতি এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই করছি। যাঁকে পরাস্ত করতে আমাদের এই লড়াই, সেই ঘরানার কাউকে বগলদাবা করা কোনও সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ নয়।” এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে জোটে ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আরাবুলের প্রার্থিতা মেনে নিলে বাম শিবিরের ভিতরে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হতে পারত।
advertisement
বিশেষ করে ভাঙড়ের পঞ্চায়েত নির্বাচনে আইএসএফ কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে সেলিম নিচুতলার কর্মীদের আবেগের দিকটিও সামনে এনেছেন। ফলে বিষয়টি শুধুই রাজনৈতিক নয়, সংগঠনের ভিতরকার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, অতীতে বিতর্কিত প্রার্থী নিয়ে সমস্যায় পড়ার অভিজ্ঞতা থেকেই এবার সতর্ক সিপিআইএম। আরাবুলকে ঘিরে এই টানাপোড়েন যদি না মেটে, তাহলে সিপিআইএম-আইএসএফ জোট কার্যত ভেস্তে যেতে পারে। নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি রাজ্যের বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
