মঞ্চ থেকে মিঠুন বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নাকি বিজেপিকে ‘গলায় দড়ি দিয়ে মরতে’ বলেছেন?” তার জবাব দিতে গিয়ে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “তাহলে সবাই রেললাইনে মাথা দিক”! পর পর এই ধরনের মন্তব্য নিয়েই তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন। পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
কলকাতা থেকে বড় ঘোষণা, ১৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা মোদির! রেল-হাইওয়ে উন্নয়নে জোর
advertisement
মিঠুন আরও দাবি করেন, রাজ্যের পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে নানা ধরনের অদ্ভুত তথ্য সামনে আসছে। এক ব্যক্তির ৩৮৯টি সন্তানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বৈজ্ঞানিকভাবে এমনটা সম্ভব নয়—তবুও রাজ্যে এমন ঘটনা সামনে আসছে বলে কটাক্ষ করেন অভিনেতা।
মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে মিঠুন বলেন, তিনি নাকি দাবি করেছেন যে তিনি আছেন বলেই বাঙালি হিন্দুরা বেঁচে আছে। সেই বক্তব্যের জবাবে মিঠুন বলেন, যদি পুলিশ নিরপেক্ষ থাকে, তাহলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই খেলা শেষ হয়ে যাবে।
এছাড়াও কৃষক, আদিবাসী সমাজ এবং শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। মিঠুন বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে কৃষকদের স্বার্থে কাজ করা হবে, আদিবাসী সমাজের উন্নয়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হবে। মিঠুনের কথায়, “আদিবাসী সমাজের মানুষের উন্নতি করবে বিজেপি । শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করবে বিজেপি ক্ষমতায় এসে । এরকম মুখ্যমন্ত্রী কখনও দেখিনি । আবার বলছি হাত ভেঙেছে পা ভেঙেছে এবার অন্য কিছু ভাঙবে । আইসিইউ থেকে বক্তৃতা দেওয়া যায়।”
বক্তৃতার মাঝেই নিজের জনপ্রিয় সিনেমার সংলাপও শোনান অভিনেতা। তিনি বলেন, “আমি জলঢোরা নই, বেলেবোরা নই… বাকিটা আপনারাই বসিয়ে নিন।” আবার নিজের বিখ্যাত সংলাপের ধাঁচে বলেন, “আমার নাম তুফান, বছরে দু’একবার আসি। যখন যাই, যারা নিজেদের ভগবান ভাবে তারা নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজে বেড়ায়।” মিঠুনের এই সংলাপ ও আক্রমণাত্মক বক্তব্যে ব্রিগেডের সভামঞ্চে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্সাহ বাড়তে দেখা যায়।
