তিনি বলেন, ‘‘সন্দেশখালীর ঘটনা কারও ভোলার নয়। কীভাবে অপরাধীদের পাশে ছিল এই সরকার। বাংলা একটা সময় প্রগতিশীল রাজ্য ছিল। এখন মায়েরা ফোন করে বলে মেয়েরা বাড়ি ফিরে এসো সন্ধ্যা নামার আগে। বিজেপির সরকার হলে মেয়েরা সুরক্ষিত হবে অপরাধীরা জেলে যাবেন৷’’
প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘‘বিভাজন দেখা যাচ্ছে এরাজ্যে৷ অনুপ্রবেশকারীদের দৌরাত্ম বেড়েছে এরাজ্যে। আর এর জন্য সবথেকে বেশি ভুক্তভোগী বাংলার মা বোনেরা। বাংলায় বামেদের সময় হত্যা অত্যাচার বেড়েছিল। তাই বাংলার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে এনেছিল ভরসা করে। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস বামেদের গুণ্ডা মাফিয়াদের নিজেদের দলে নিল। আজ বাংলায় অপরাধীদের খোলা হাত দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলায় কোনও মেয়ে নিরাপদ নয়।’’
advertisement
আরও পড়ুন: ‘রাষ্ট্রপতির অপমানের জন্য দায়ী বাংলার প্রশাসন, সব সীমা পার করেছে তৃণমূল সরকার!’ তোপ মোদির
তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস সরকার না নিজে কাজ করবে না করতে দেবে। যতক্ষন না পর্যন্ত এদের কাটমানি মিলবে ততক্ষন এরা কোনো প্রকল্পকে গ্রামে পর্যন্ত পৌঁছতে দেবে না। সেকারনেই এরাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে আছে৷ কারিগরদের জন্য কেন্দ্র সরকার পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা চালু করেছে। কিন্তু এই নির্মম সরকার বাংলায় যোজনা আসতে ব্রেক লাগিয়ে রেখেছে। বাংলায় বিশ্বকর্মা ভাইদের এই টাকা এই সাহায্য আসা দরকার । কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিচ্ছে কিন্তু এই সরকার বাংলার ভাই বোনদের বঞ্চিত করছে৷’’
তিনি বলেন, ‘‘যেদিকে যেদিকে আমার নজর যাচ্ছে শুধুই মানুষ। এই আপনাদের জোশ বাংলার মানুষ কি ভাবছে কি আছে তাদের মনে কি আছে সেটা প্রমাণ করছে৷ বাংলা দেশকে দিশা দেখায় । এই ব্রিগেড ময়দান এর আওয়াজ হিন্দুস্থানের কান পর্যন্ত পৌঁছাবে । আজ একবার আবার ব্রিগেড ময়দান থেকে বাংলার ক্রান্তির শব্দ শোনা যাচ্ছে ।
প্রধানমন্ত্রী ব্রিগ্রেড থেকে দাবি করেন, ‘‘বাংলার জনগণ আওয়াজ তুলছে চাই বিজেপি সরকার। চোর যে এটা বাংলার প্রতিটি মানুষ জানে৷ আজ বিজেপি কর্মীদের এই মিছিলে আটকানোর জন্য সব রকম হাতিয়ার ব্যবহার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাস ভেঙেছে পোস্টার লাগিয়েছে । কিন্তু আজকের জনসভা বন্ধ করতে পারেনি৷
