নতুন প্রজন্মের এই ট্রেনটি ১৬টি কোচের রেক দিয়ে চলবে এবং মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা ৮২৩ জন। এই ট্রেনটিতে ১১টি এসি থ্রি-টিয়ার কোচ, ৪টি এসি টু-টিয়ার কোচ এবং ১টি ফার্স্ট এসি কোচ থাকবে, যা বিভিন্ন শ্রেণির যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক ভ্রমণের সুযোগ প্রদান করবে।
যাত্রীদের সুবিধার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ডিজাইন করা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসে থাকবে আর্গোনমিক্যালি ডিজাইন করা কুশনযুক্ত বার্থ, উন্নত মানের আরামপ্রদ রাইড-এর জন্য অত্যাধুনিক সাসপেনশন সিস্টেম, শব্দ কমানোর প্রযুক্তি, ভেস্টিবিউল-সহ স্বয়ংক্রিয় দরজা এবং একটি আধুনিক যাত্রী তথ্য ব্যবস্থা। রয়েছে আধুনিক শৌচাগার এবং উন্নত জীবাণুনাশক প্রযুক্তি পরিচ্ছন্নতা।
advertisement
সুরক্ষা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। ট্রেনটিতে কবচ স্বয়ংক্রিয় ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা, জরুরি যাত্রী টক-ব্যাক ইউনিট এবং উন্নত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা-সহ একটি অত্যাধুনিক চালক কক্ষ থাকবে। এর অ্যারোডাইনামিক বাহ্যিক রূপ এবং পরিশীলিত অভ্যন্তরীণ সজ্জায় থাকবে দেশীয় রেল প্রকৌশল ও নকশার সর্বশেষ চিত্র।
আশা করা হচ্ছে, এই পরিষেবা চালুর ফলে অসম ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি পাবে। প্রধান সুবিধাভোগী জেলাগুলির মধ্যে অসমের কামরূপ মেট্রোপলিটন ও বঙ্গাইগাঁও এবং পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও হাওড়া অন্তর্ভুক্ত। এই পরিষেবাটি আঞ্চলিক গতিশীলতাকে সমর্থন করার পাশাপাশি বাণিজ্য, পর্যটন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও সহায়তা করবে।
