পরে অবশ্য বেশি রাতে কমিশনের তরফ থেকে বিষয়টি সম্পূর্ণ কারিগরি ত্রুটি বলে জানিয়ে সমস্যা সমাধান হয়েছে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। কমিশনের তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয় এই বিষয়টা তারা জানতেন না। তবে বিষয়টি হাইলাইট হওয়ার পর তারা খতিয়ে দেখেন সমস্যাটি। কেন এই রকম টেকনিক্যাল ফল্ট সেই বিষয়ে নজরে আনা হয় কমিশনের প্রযুক্তি বিভাগে। এরপরেই কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয় সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। ‘ইস্যু হ্যাজ বিন রিজল্ভড’।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘ইজরায়েলে’ ১০,০০০ ভারতীয় টাকা ‘কত’ হয়ে যাবে জানেন…? শুনলেই চমকাবেন, শিওর!
এদিকে এই নিয়ে বিবৃতি জারি করে তুমুল কটাক্ষ করে শাসকদল তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট দিয়ে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয় এই ‘ত্রুটি’ আদৌ কি কারিগরি ত্রুটি নাকি কোনও চক্রান্ত। শুধু তাই নয়, নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এই ধরণের ‘ইচ্ছেকৃত ভুলের’ কারণে ভয় ও আতঙ্কের জেরে কোনও মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেলে তার দায় বর্তাবে কমিশনের উপর।
বিবৃতিতে লেখা হয় ‘একটি আস্ত রাজ্যই এখন ‘বিচার-বিবেচনার অধীনে’ (Under Adjudication)! এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও এখন ‘বিবেচনাধীন’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এমনকি তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নামও।’
তৃণমূলের তীব্র তোপ, ‘এটি নিছক কোনও ‘কারিগরি ত্রুটি’, নাকি এই ‘ভ্যানিশ কমিশন’-এর দ্বারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আতঙ্ক ছড়ানোর অপচেষ্টা—বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এর পরিণতি হতে পারে মারাত্মক। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি, ‘SIR’-এর (NRC) কারণে সৃষ্ট ভয়, উদ্বেগ এবং মানসিক আঘাতের জেরে ২০০টি অমূল্য প্রাণ অকালে ঝরে গেছে।’
তৃণমূলের তরফে বিবৃতিতে লেখা হয়, ‘এই অপরাধমূলক অবহেলা ও ভীতির কারণে যদি আরও একটিও নিরপরাধ প্রাণহানি ঘটে, তবে সেই রক্তের দায় সরাসরি নির্বাচন কমিশন এবং মিস্টার ‘ভ্যানিশ কুমার’-এর ওপরই বর্তাবে। এই সম্পূর্ণ এড়ানো-সম্ভব এমন মর্মান্তিক ঘটনাগুলোর দায় কি নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করবে?’
