এর আগে, ৯/০৩/২০২৬ – AITC মাননীয় রাষ্ট্রপতির কাছে একটি প্রতিনিধিদলের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে গৃহীত জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলোর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার উদ্দেশ্যে সাক্ষাতের জন্য লিখিত আবেদন জানায়।
১১/০৩/২০২৬ – সময়ের অভাবের কারণ দেখিয়ে সাক্ষাৎ-অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে একটি উত্তর পাওয়া যায়।
১১/০৩/২০২৬ – AITC পুনরায় ১৬ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে সাক্ষাতের জন্য আবেদন জানায়।
advertisement
১৬/০৩/২০২৬ – সাক্ষাতের বিষয়ে পুনরায় যোগাযোগ করা হয়।
২২/০৩/২০২৬ – সময়ের অভাবের কারণ দেখিয়ে সাক্ষাৎ-অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে একটি উত্তর পাওয়া যায়।
২৩/০৩/২০২৬ – AITC পুনরায় ২৪ মার্চ থেকে ২ এপ্রিলের মধ্যে সাক্ষাতের জন্য আবেদন জানায়।
আরও পড়ুন: ট্রেনের টিকিট বাতিলের নিয়মে বড়সড় বদল, কনফার্ম টিকিট বাতিল করলে এখন…! যাত্রীরা জানুন
রাজ্য বিধানসভা ভোটের আগে নতুন করে রাজনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক ঘিরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমানের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিতর্ক ছড়িয়েছে। এই আবহে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার আবেদন জানালেও এখনও সময় পায়নি তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।
এই ঘটনাপ্রবাহের পিছনে সম্প্রতি তৈরি হওয়া বিতর্ককে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শিলিগুড়িতে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি নিজেও বাংলার মেয়ে হলেও অনেক সময় বাংলায় আসতে অসুবিধা হয় বলে তাঁর মনে হয়েছে।
আরও পড়ুন: তালিকা প্রকাশ্যে, কত নাম বাদ গেল SIR সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায়? জানুন কী দাবি কমিশনের
সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি আক্ষেপের সুরে বলেন, আয়োজনে যথেষ্ট পরিসর নেই বলে জানানো হলেও বাস্তবে অনেক বেশি মানুষের জায়গা হওয়ার মতো পরিকাঠামো সেখানে ছিল। একই সঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে ‘ছোট বোন’ সম্বোধন করে তাঁর প্রতি রাগের কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। যদিও তিনি স্পষ্ট করেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত অভিযোগ নেই।
আবীর ঘোষাল
