পুলিশ সূত্রে খবর, গড়িয়ার তেঁতুলতলা এলাকায় প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই পার্লার চালাতেন রূপবাণী দাস (৫০)৷ তাঁর স্বামী এবং সন্তানও রয়েছে৷ যদিও মাঝে রূপবাণী দাস হরিয়ানার বাসিন্দা পঙ্কজ নামে ওই যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা৷ দু জনে ফেসবুকে বন্ধুও ছিলেন৷ ফেসবুক বন্ধুত্বের সূত্রেই দু জনের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷
advertisement
এমন কি, মাঝে বেশ কিছু দিন গড়িয়ারই বাসিন্দা রূপবাণীদেবী হরিয়ানায় পঙ্কজ নামে ওই যুবকের কাছেও চলে গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ৷ এর পর অবশ্য মাস দুয়েক আগে কলকাতায় ফিরে আসেন রূপবাণীদেবী৷ তার পরই আজ গড়িয়ার পার্লারে এই কাণ্ড ঘটে৷
প্রতিদিনের মতো এ দিন বেলা ১২টা নাগাদ রূপবানী দাসের স্বামী অনুপ দাস মোটরসাইকেলে করে তাঁকে ওই পার্লারে নামিয়ে দিয়ে যান৷ বেলা ১২.৪৫ নাগাদ অনুপবাবুকে ফোনে জানানো হয়, পার্লারের ভিতরে মারামারি শুরু হয়েছে৷ এই খবর পেয়েই ছেলে এবং জামাইবাবুকে নিয়ে দ্রুত ওই পার্লারে পৌঁছন অনুপবাবু৷ সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী৷ রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারপাশ৷ পার্লারের মধ্যেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন পঙ্কজ নামে ওই যুবকও৷
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সম্ভবত এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন রূপবাণী দেবী৷ সেই আক্রোশেই পঙ্কজ নামে ওই যুবক এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটালেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ পঙ্কজ নামে আত্মঘাতী ওই যুবকের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করছে পুলিশ৷ পাশাপাশি রূপবাণীদেবীর স্বামী এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে৷
