স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসাবে প্রতিটি গ্রামকে কুকুরের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তির কথা বলা হয়েছিল৷ সেই ‘কুকুর মুক্ত গ্রাম’-এর প্রতিশ্রুতি পালন করতে গিয়েই তারা এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি৷
advertisement
ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে ভয়ঙ্কর একটি ভিডিও৷ জাগতিয়াল জেলার ধর্মপুরী মিউনিসিপালিটির ওই ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, একটি লোক এক কুকুরের শরীরে বিষ ইঞ্জেক্ট করছে৷ সেই ইঞ্জেশন দেওয়ার এক মিনিটের মধ্যেই কুকুরটি মারা যায়৷ ওই রাস্তায় আরও ২টি কুকুরের দেহ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে৷
প্রথম ২ সপ্তাহে ৫০টি কুকুরের দেহ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে ওই এলাকায়৷ অন্যদিকে, হানমাকোন্ডায়, শ্যামপেটার এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই এলাকায় ১১০টি কুকুরের দেহ মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়েছে৷ মৃত্যুর কারণ জানতে তার মধ্যে কয়েকটি দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে৷
পুলিশি তদন্তে প্রাণী হত্যায় ১৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে৷ শ্যামোপেট, আরেপল্লি এবং পলওয়াঞ্চা এলাকায় ৭ গ্রামপ্রধানের সম্প্রতি নির্বাচিত হয়েছেন৷ নির্বাচী প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷
গ্রাম পঞ্চায়েত সচিব এবং কর্মীরা এর জন্য পেশাদার কুকুর ধরার লোক নিয়োগ করেছিলেন বলে জানা গেছে। প্রাণঘাতী ইনজেকশন এবং বিষাক্ত টোপ দিয়ে হত্যাকাণ্ড চালানোর জন্য তিনজন বেসরকারি ঠিকাদারকে নিযুক্ত করা হয়েছিল। হানামকোন্ডা পুলিশের মতে, কুকুরদের ‘অজ্ঞাত বিষাক্ত পদার্থ’ ইনজেকশন দিয়ে জনশূন্য এলাকায় ফেলে দেওয়ার ভয়াবহ দৃশ্য দেখে তদন্ত শুরু হয়।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ধারা ৩২৫ (প্রাণী হত্যা বা বিষ প্রয়োগ) এবং প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ আইনের অধীনে ১৫ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। কী ধরনের বিষ ব্যবহার করা হয়েছে তা জানার জন্যেও ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হচ্ছে৷
