শুভেন্দুর কথায়, ”রাজ্যপাল কেন্দ্রের প্রতিনিধি। কেন্দ্রীয় সরকারের সিন্ধান্ত তারা নিয়েছেন। তারা এমন সিদ্ধান্ত অনেক সময় নেন। এটা না জেনে বলা ঠিক হবে না। হেলথ গ্রাউন্ডও হতে পারে। আবার কেন্দ্রীয় সরকার ওঁকে অন্য কাজেও লাগাতে হবে। উনি বিশিষ্ট মানুষ, শিক্ষাবিদ। এই নিয়ে আমাদের মন্তব্য করা ঠিক হবে না। এটায় তৃণমূল উদিগ্ন হতে পারে।”
advertisement
এদিকে, এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এক্স হ্যান্ডেলে নিজের মতামত শেয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল শ্রী সি. ভি. আনন্দ বোসের আকস্মিক পদত্যাগের খবরে আমি হতবাক এবং গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই মুহূর্তে তাঁর পদত্যাগের কারণ আমার জানা নেই। তবে, বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে, আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কিছু রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য রাজ্যপাল যদি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চাপের মুখে পড়েন তবে আমি অবাক হব না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন যে শ্রী আর. এন. রবিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তিনি এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠিত রীতি অনুসারে কখনও আমার সাথে পরামর্শ করেননি। এই ধরনের পদক্ষেপ ভারতের সংবিধানের চেতনাকে ক্ষুণ্ন করে এবং আমাদের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভিত্তির উপর আঘাত করে। কেন্দ্রকে সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয়তার নীতিগুলিকে সম্মান করতে হবে এবং গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং রাজ্যগুলির মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।’
সূত্রের খবর, কলকাতায় নয়, বরং দিল্লিতে গিয়েই নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন তিনি। পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার অনেক আগেই তাঁর এই প্রস্থান নিয়ে দিল্লির অলিন্দে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। তবে কেন এই পদত্যাগ, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত রাজভবন বা কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট কোনও কারণ জানানো হয়নি। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীও কোনও কারণ জানেন না বলে দাবি করেছেন এক্স-এ।
