এই বৈঠকে কলকাতার একাধিক উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি দিল্লির সদর দফতর থেকেও দুই শীর্ষ আধিকারিক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেবেন। পুরো বৈঠকটি কেন্দ্রীয় স্তর থেকেই পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি।
‘পর্যটককে স্বাগত’! বঙ্গে ১৫ দিনের সফরে অমিত শাহকে কষা মাংস, ইলিশ-চিংড়ির নিমন্ত্রণে কটাক্ষ তৃণমূলের
advertisement
‘এই কারণেই ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে বিরোধীরা!’ মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে এ কী বললেন কাজল শেখ, আশিস?
সূত্রের খবর, মালদহের কালিয়াচক-মোথাবাড়ি এলাকার ঘটনাকে ঘিরে তদন্তের রূপরেখা ঠিক করাই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। কীভাবে এনআইএ তদন্ত এগোবে, কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় কী ভাবে হবে—এই সব বিষয় নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে জানা গিয়েছে, আগামীকাল দিল্লি থেকে একটি বিশেষ দল কলকাতায় আসতে পারে। তারা কীভাবে তদন্ত পরিচালনা করবে এবং মাঠপর্যায়ে কীভাবে কাজ এগোবে, সেই বিষয়েও আজকের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
সব মিলিয়ে, মালদহের এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক তৎপরতা যে দ্রুত বেড়েছে, তা স্পষ্ট। রাতারাতি বৈঠক ডেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপের দিকেই এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
প্রসঙ্গত, গতকাল মালদহ জেলার কালিয়াচক- ২ নম্বর ব্লকের সুজাপুর, মোথাবাড়ি-সহ একাধিক এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের মূল সংযোগকারী ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাখেন। মোথাবাড়িতে কালিয়াচক- ২ নম্বর বিডিও অফিসের ভিতরে বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাও করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে মালদহের মোথাবাড়িতে কাণ্ডে তদন্ত করতে চলেছে সিবিআই৷ ঘটনায় ইতিমধ্যে আইএসএফ প্রার্থী শাহজাহান আলি কাদরী-সহ মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মালদহ জেলা আদালতে তোলা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো ৬ তারিখ শীর্ষ আদালতের কাছে প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে তদন্ত কারী সংস্থাকে। ভার্চুয়াল উপস্থিত থাকতে হবে তদন্তকারী সংস্থার অধিকারিককে। সেই মোতাবেক সিবিআইকে ৬ তারিখ এর মধ্যেই প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে সুপ্রিম কোর্টকে৷
