খিদিরপুরের জগন্নাথ মন্দিরে রবিবার আক্রান্ত ২৮টি পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের হাতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ তুলে দিয়ে নাম না করে নৈহাটি কাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাষাতেই আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কল্যাণী হাসপাতালে দীর্ঘ চার ঘণ্টার অপারেশনের পরেও বাঁচানো গেল না তৃণমূল নেতা জাকির হোসেনকে। রবিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তে এলাকার শোকের ছায়া নেমে আসে।
advertisement
আরও পড়ুন : গুজরাতে মোরবি ব্রিজে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! কমপক্ষে ৬০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা
নৈহাটির শিবদাসপুরে জনবহুল এলাকার মধ্যে গুলি বোমাবাজি চলে শনিবার। আহত হন দু- জন। একজনের তিনটি গুলি লেগেছিল। আরেকজন বোমার আঘাতে আহত হন। দুজনকেই কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এদিন সেখানেই মৃত্যু হয় তৃণমূল নেতা জাকির হোসেনের। জানা গিয়েছে, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন বিবাদ জাকির হোসেন ও আশাবুল আলির মধ্যে। মাঝে একবার গন্ডগোল হয়েছিল জমিতে চাষ করা নিয়ে। থানা পুলিশও হয়েছিল। গতকাল রাতে এক বন্ধুর সঙ্গে জাকির একটি চায়ের দোকানে বসেছিল। অভিযোগ, হঠাৎ সেখানে কয়েকজন দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে আসে আশাবুল। রাস্তার পাশের লাইট পোস্টের লাইট অফ করে দেওয়া হয়। তারপর জাকিরকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি চালানো হয়, ছোড়া হয় বোমাও। সেখানেই গুলিবিদ্ধ হন জাকির।
আরও পড়ুন : 'পরিবারের সকলের চাকরি হোক, মঙ্গল হোক...' দইঘাট ছট পুজোয় এসে পুজো দিলেন মমতা
আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাকিরকে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ চার ঘণ্টার অপারেশন হয় তাঁর। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনা নিয়েই রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে সুর চড়িয়ে শুভেন্দুর 'পিসিমার বোম' কটাক্ষ। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে, আইনের শাসন বলে কিছু নেই, শুধু আছে মমতার শাসন। এর আগে একাধিক ইস্যুতে এভাবেই শুভেন্দু বাংলার আইন শৃঙ্খলার প্রশ্নে সরকার তথা তৃণমূলকে নিশানা করেছেন। চিঠি লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও। রবিবার কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নৈহাটি কাণ্ড নিয়ে ফের একবার সরব হলেন শুভেন্দু।
