রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত মামলা দীর্ঘদিন ধরেই বিচারাধীন। ১৬ মে কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল চার সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আদালতের সেই নির্দেশ মানা হয়নি। রাজ্য সরকার শীর্ষ আদালতের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন জানায়। শেষে ৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি সম্পূর্ণ হয়। বৃহস্পতিবার সেই বহু প্রতীক্ষিত রায়ই ঘোষণা করতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
advertisement
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ ডিএ রায় দেয়। সেই রায়ে বকেয়া ডিএ রাজ্যকে দেওয়ার কথা বলে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে এসএলপি দায়ের করে রাজ্য সরকার। তার ভিত্তিতে প্রথমে নভেম্বর মাসে প্রথম আবেদন করে রাজ্য। এরপর ডিসেম্বর মাস, তারপর সব মিলে এখনও পর্যন্ত ২৬ বার ডিএ মামলার শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। ২৬ বার শুনানিতে নানারকম বাঁক এসেছে। ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়ে বলল ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২-এ কলকাতা হাইকোর্টে যে রায় দিয়েছিল তাতে বকেয়া যত পরিমাণ ডিএ হচ্ছে তার ২৫ শতাংশ অন্তত ৬ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকার দিয়ে দিক। এরপর রাজ্যের আবেদনে জানাল ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএর টাকা রাজ্য সরকার নিশ্চয়ই দেবে কিন্তু রাজ্য়ের পদ্ধতিগত সমস্যা হচ্ছে। রাজ্য়ের বক্তব্য রাজ্য যদি সুপ্রিম কোর্টে মামলায় জয়লাভ করে সেই টাকা ফিরিয়ে আনবে কীভাবে সেক্ষেত্রে নানা আইনি জটিলতা রয়েছে তাই রাজ্য তার ২৫ শতাংশ টাকা সুপ্রিম কোর্টে গচ্ছিত রাখছে। এরপর চড়াই-উতরাই চলতে থাকে। এই মামলা যত এগিয়েছে একাধিকবার বিচারপতি বদলেছে। বৃহস্পতিবার সেই বহু প্রতীক্ষিত রায়ই ঘোষণা করতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জয় কারল এবং বিচারপতি পিকে মিশ্রের বেঞ্চ রায় দেবে এদিন।
