সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীদের এলার্জি আছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর কারণ তাঁরা জানে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসলে তারা যেভাবে দেদার ভোট লুট এবং ছাপ্পা মারে সেটা করা যাবে না। সে কারণে বিধায়ক থেকে নেতা বা কর্মী কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাম শুনলেই ঝাঁটা মারার কথা বলছে। তবে মনে রাখবেন তৃণমূলের নেতা বা কর্মীরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঝাঁটা মারলে তারা চুপ করে বসে থাকবে না, যা করার করবে।”
advertisement
অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীকে জুতো দেখানোর ঘটনায় আদালতের পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে সুকান্ত এদিন ফের কটাক্ষ করেন শাসকদল তৃণমূলকে। তাঁর কথায়, “রাজ্যে কোনও কিছুই নিরাপদ নয় কারণ নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয় পুলিশের পক্ষে সেটা আবারও প্রমাণিত। বারবার আক্রমণ হয়েছে বিজেপি নেতাকর্মীদের উপর। শুভেন্দু অধিকারী থেকে সুকান্ত মজুমদারের উপর। কারণ নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।”
আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তানে’ ভারতীয় ৩০০ টাকার ‘মূল্য’ কত হবে জানেন…? ‘উত্তর’ শুনলেই চমকাবেন, শিওর!
একইসঙ্গে এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থান প্রসঙ্গে সুকান্তর মন্তব্য, “আগেও বলেছিলাম রাজ্য যতবার সুপ্রিম কোর্টে যাবে এই ঘটনা নিয়ে, ততবার থাপ্পর খাবে। আজকেও ফের একবার সুপ্রিমকোর্টের কাছে সেটাই খেল। কিন্তু এদের লজ্জা নেই।”
পাশাপাশি তৃণমূলের রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজিপি, রাজীব কুমারের নাম প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষ করে প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভায় কাকে পাঠাবে পুরোটাই তাঁদের বিষয়। তবে এটা বোঝা যাচ্ছে যে প্রাক্তন আমলা রাজীব কুমারকে, যিনি বাঙালি নন, তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর মানে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে রাজীব কুমার সারদা কাণ্ডে লাল ডায়রি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে যে ভূমিকা পালন করেছিলেন তারই ঋণ শোধ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”
