নিয়মমাফিক স্যালারি রিকুইজিশন পোর্টালে চাকরিহারাদের নাম থাকলেও তাঁদের বেতন দিলে কনটেম্পট অফ কোর্ট অর্থাৎ, আদালত অবমাননা হতে পারে বলে মনে করছেন আইনি বিশেষজ্ঞেরা। তাই আশঙ্কায় রয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর। তবে রয়েছে অন্য মতও৷ সেই মত অনুসারে, চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা আপাতত পেতে পারেন স্বস্তি৷ বেতন দিতেও আর অসুবিধা থাকবে না রাজ্যের৷ কী সেই মত?
advertisement
জানা গিয়েছে, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের তরফে শুরু হয়েছে আইনি মতামত নেওয়ার প্রক্রিয়া। পুলিশ সূত্রের খবর, রাজ্যের লিগাল সেকশনের থেকে আইনি মতামত নিচ্ছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর।
রাজ্য সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে রিভিউ পিটিশন করতে যাচ্ছে। এর জন্য রাজ্যের কাছে ৩০ দিনের সময় রয়েছে। সেক্ষেত্রে, যেহেতু বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই থাকছে, তাই চাকরিহারা শিক্ষকশিক্ষিকাদের বেতন দিতে আইনগত সমস্যা নেই বলে দাবি নবান্নের একাংশের।
এক্ষেত্রে স্যালারি রিকুইজিশন পোর্টাল ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত খোলা থাকবে। তার আগেই আইনি মতামত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চায় রাজ্য। সেই কারণেই আইনি মতামত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। পাশাপাশি বর্ধিত চার শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে নাকি, তা নিয়েও আইনি মতামত নেওয়া হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর।
