আগামী শনিবার প্রথমে ব্রিগেড ময়দানে একটি ছোট মঞ্চে প্রশাসনিক সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী৷ এর পর মূল মঞ্চে হবে রাজনৈতিক সভা৷ প্রশাসনিক সভার মঞ্চ তৈরির দায়িত্ব সরকারির দফতরগুলির হাতে থাকলেও রাজনৈতিক সভার মঞ্চ এবং বাকি আয়োজনের প্রস্তুতি বিজেপি-র৷ সেই মতো মঞ্চ তৈরির কাজও অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে৷ রোদের তাপ থেকে বাঁচতে দর্শকাসনের উপরে বিরাট ছাউনিরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷ সেই কাজও অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে৷
advertisement
আরও পড়ুন: ‘ওনার সঙ্গে অবিচার হয়েছে!’ রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় আনন্দ বোস, দেখা করলেন মমতা
ইতিমধ্যেই সভাস্থলের নিরাপত্তার ভার হাতে নিয়েছে এসপিজি৷ মঙ্গলবার হঠাৎই এসপিজি-র পক্ষ থেকে রাজ্য বিজেপি নেতত্বকে জানানো হয়, তৈরি করে ফেলা মঞ্চের কিছুটা অংশ খুলতে হবে৷ কারণ প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের মাটির উপরের অংশের পাশাপাশি মাটির নীচেও পরীক্ষা করে দেখতে চায় এসপিজি৷
এসপিজি-র এই নির্দেশ শুনে বিজেপি নেতারাও ফাঁপড়ে পড়েন৷ কারণ মঞ্চের কিছুটা অংশ সম্পূর্ণ খুলে মাটির নীচে পরীক্ষার পর আবার নতুন করে মঞ্চ তৈরি করতে হবে৷ ফলে সভাস্থল তৈরির কাছে আরও কিছুটা দেরি হবে৷ তবে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপোস করতে চায় না রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বও৷ ফলে মঞ্চ নির্মাণের দায়িত্বে থাকা সংস্থাকে এসপিজি-র কথা মতো মঞ্চের পিছনের দিকের কিছুটা অংশ খুলে দিতে বলা হয়েছে৷
বিজেপি নেতাদের অবশ্য দাবি, প্রধানমন্ত্রীর যে কোনও সভার আগেই এ ভাবে মাটির নীচে রুটিন পরীক্ষা করে এসপিজি৷ প্রশ্ন উঠছে, অতীতেও প্রধানমন্ত্রী ব্রিগেড সহ রাজ্যের অন্যত্র বহু রাজনৈতিক সভা করেছেন৷ ফলে এসপিজি-র ছাড়পত্র না নিয়েই কেন তাড়াহুড়ো করে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হল? সভার দায়িত্বে থাকা বিজেপি নেতাদের দাবি, সমন্বয়ের অভাবেই এরকম হয়েছে৷
প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেডের সভা নিয়ে ইতিমধ্যেই তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে জোর কথার লড়াই শুরু হয়েছে৷ রাজ্য জুড়ে বিজেপি যে পরিবর্তন যাত্রা করছে, তার সমাপ্তি হবে ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভার মধ্যে দিয়ে৷ যদিও বিজেপি-র এই পরিবর্তন যাত্রায় মানুষের কোনও সাড়া নেই বলে কটাক্ষ করেছে শাসক দল৷ এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার পরই ভোট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন৷ পাল্টা বিজেপি শিবিরের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় রেকর্ড জনসমাগম হবে৷
