এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভাঙড়ের এক বাসিন্দার দেওয়া তথ্য নিয়ে রীতিমতো হিমশিম পর্যবেক্ষকেরা। তথ্য যাচাই করতে গিয়ে যা দেখলেন, তা রীতিমতো অবাক করা। ব্যক্তির ৮ সন্তানের মধ্যে বয়সের ফারাক কখনও ১ বছর কখনও আবার ৬ মাস। এসআইআর প্রক্রিয়ার সুপার চেকিং প্রসেসে ধরা পড়ল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভাঙড় বিধানসভার এক বাসিন্দার এসআইআর নথি দেখে চক্ষু চড়কগাছ কমিশনের।
advertisement
ভাঙড় বিধানসভার ওই বাসিন্দার ৮ সন্তান। তবে এই আটজনের বয়সের পার্থক্য দেখে কার্যত হতবাক কমিশনের আধিকারিকরা। ১৯৮৯ সালের অগাস্ট মাসে এক ছেলের জন্ম আবার ১৯৯০ সালের জানুয়ারিতে আর এক ছেলের।এসআইয়ের প্রক্রিয়ায় নথি খতিয়ে দেখার সময় রোল অবজার্ভারদের হাতে উঠে আসে এই তথ্য। কমিশন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে ইআরও, এইআরও-র কাছে।
প্রসঙ্গত, দু’ধরনের ভোটারকে এসআইআরের শুনানিতে নথি যাচাইয়ের জন্য ডেকেছে কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগ দেখাতে পারেননি (নো ম্যাপিং তালিকা) তাঁদের শুনানিকেন্দ্রে সশরীরে হাজিরা দিয়ে উপযুক্ত নথি দেখাতে হয়েছে। এ ছাড়া, ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যোগ থাকা সত্ত্বেও নামের ত্রুটি, তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে অনেককে শুনানিতে ডাকা হয়। শুনানিকেন্দ্রে তাঁদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য উপস্থিত থাকছেন ইআরও, এইআরও (সহকারী ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার) এবং বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও)।
রাজ্যের এসআইআর শুনানিতে প্রায় দেড় কোটি নোটিস জারি করে কমিশন। তার মধ্যে আনম্যাপড ভোটার রয়েছেন প্রায় ৩২ লক্ষ। ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতি (লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি)-র কারণে শুনানিতে ডাকে কমিশন। সেই শুনানির কাজ শেষ হয়েছে।
